হরিয়ানায় বিজেপি সব থেকে বেশি ৪০টা আসন পেয়েছে। তবে হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের ম্যাজিক ফিগার এখনও অধরা।  হরিয়ানায় সরকার গঠন করতে হলে বিজেপি ছোট ছোট দলগুলোর আশ্রয় নিতে হচ্ছে। সরকার গঠনের জন্য হরিয়ানার সব থেকে বিতর্কিত নেতা গোপাল কান্দার শরনাপন্ন হতে হয়েছে বিজেপিকে।  কিছুদিন আগেই বিজেপি গোপাল কান্দার বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতি এখন এমন একটা পর্যায়ে এসে  দাঁড়িয়েছে, সেখানে বিতর্কিত নেতা গোপাল কান্দা হরিয়ানার সরকার গঠনের চাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

৩৭০ নিয়ে প্রচার কি ব্যুমেরাং, বিজেপি-কে ধাক্কা দিল রুটি- রুজির প্রশ্ন

হরিয়ানায় ভোটের ফলাফল প্রকাশ পাওয়ার বিজেপি যে আটজন বিধায়কের কাছ থেকে সমর্থন পাবে বলে আশা করেছিল, তার মধ্যে অন্যতম কান্দা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে হরিয়ানায় কংগ্রেসের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পরিস্থিতি অনুমান করা যাচ্ছিল। তাই হরিয়ানায় বিধানসভা নির্বাচনে ভোটের ফলাফল প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গেই হরিয়ানা লোকহিত পার্টির প্রধান গোপাল কান্দাকে নিয়ে বিজেপি সাংসদ সুনিতা দুগ্গল দিল্লি চলে যান। বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে কান্দার বৈঠক হয় বলেও জানা গিয়েছে। বিমানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে কান্দা জানান, যে সিরসার জন্য কাজ করবে তাঁকেই সমর্থন দেব। হরিয়ানায় সিরসার বাসিন্দা গোপাল কান্দা। 

২০১২ সালে তাঁর বিমান সংস্থায় কাজ করা একজন বিমান সেবিকা আত্মহত্যা করেন। ওই বিমান সেবিকাআত্মহত্যার জন্য সুইসাইড নোটে কান্দাকে দায়ী করেন। কান্দা দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে হেনস্তা করতেন। সুইসাইড নোটে লেখেন, বাধ্য হয়েই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। সেই বিজেপি হুডার মন্ত্রিসভা থেকে তাঁর পদত্যাগ দাবি করে।  এই ঘটনার পর তিনি জেল খাটেন কিছুদিন। জামিনে জেল থেকে বেরিয়ে তিনি ২০১৪ সালে হরিয়ানায় বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেন এবং হেরে যান। ২০০৭ সালে  কান্দার গাড়ি থেকে চার অপরাধীকে পাওয়া যায়। এই ঘটনার জন্যও পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল।