ফের একবার বিপাকে পড়লেন কান্দা  কান্দাকে নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরে বিক্ষোভ  কান্দার বিরুদ্ধে স্বোচ্চার হলেন উমা ভারতী হরিয়ানা সরকার গঠনে কান্দার সমর্থন নিচ্ছে না বিজেপি

 বিতর্কিত নেতা গোপাল কান্দা বিজেপিকে সমর্থন করতে চেয়েছিলেন হরিয়ানায় সরকার গঠনের জন্য। হরিয়ানায় উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের পর কান্দা বৃহস্পতিবার সোজা দিল্লি চলে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলতে। এত কিছুর পরেও ক্ষমতাসীন দলের হয়ে থাকতে পারলেন না হরিয়ানা লোকহিত পার্টির নেতা গোপাল কান্দা। হরিয়ানায় বিজেপি সমর্থকদের বিক্ষোভের চাপে পড়ে বিজেপি নেতৃত্ব নিজের অবস্থান থেরে সরে এসেছে। বিজেপি নেতা অনিল ভিজ জানিয়েছেন, হরিয়ানায় বিজেপি সরকারের সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্ত থাকবেন না গোপাল কান্দা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

গোপাল কান্দা প্রথম থেকেই হরিয়ানায় বিজেপি সরকারকে সমর্থন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিজেপির নেতা ও কর্মীদের চাপে শেষ পর্যন্ত কান্দার ইচ্ছা পূরণ হয়নি। কান্দার সঙ্গে বিজেপির যাতে কোনও ভাবেই যোগ না থাকে তার জন্য সুর চড়িয়েছিলেন উমা ভারতী। একের পর এক টুইট করে ইমা ভারতী গোপাল কান্দার বিরোধিতা করেছেন। উমা ভারতি জানিয়েছেন, দলের নিজস্ব একটা নীতি ও সম্মান রয়েছে। গোপাল কান্দার সমর্থন নিলে বিজেপির সেই নীতি বা মূল্যবোধ আঘাত পাবে। 

টুইটে উমা ভারতী জানতে চান, এই গোপাল কান্দা কি সেই গোপাল কান্দা, যিনি এক তরুণীর আত্মহত্যার সঙ্গে যুক্ত রয়েছন? যে তরুণী এখনও বিচার পাননি। এই গোপাল কান্দা কি সেই গোপাল কান্দা, যিনি এখন বর্তমানে জামিনে জেল থেকে বাইরে বেরিয়েছেন। এরপরেই উমা ভারতী টুইট করে জানিয়েছেন, গোপাল কান্দা নির্বাচনে জয় লাভ করতে পারেন। কিন্তু তার অর্থ তিনি সমস্ত অপরাধ মুক্ত হচ্ছেন না। বর্তমানে হরিয়ানায় বিজেপি বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে। গোপাল কান্দার সাহায্য ছাড়াই অনায়াসে হরিয়ানায় সরকার গঠন করতে পারবে। বিজেপিকে জেজেপি (জননায়ক জনতা পার্টি) সমর্থন করেছে। 

২০১২ সালে তাঁর বিমান সংস্থায় কাজ করা একজন বিমান সেবিকা আত্মহত্যা করেন। ওই বিমান সেবিকাআত্মহত্যার জন্য সুইসাইড নোটে কান্দাকে দায়ী করেন। সুইসাইড নোটে তরুণী লিখেছিলেন, কান্দা দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে হেনস্তা করতেন। সুইসাইড নোটে লেখেন, বাধ্য হয়েই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। সেই বিজেপি হুডার মন্ত্রিসভা থেকে তাঁর পদত্যাগ দাবি করে। এই ঘটনার পর তিনি জেল খাটেন কিছুদিন। জামিনে জেল থেকে বেরিয়ে তিনি ২০১৪ সালে হরিয়ানায় বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেন এবং হেরে যান। ২০০৭ সালে কান্দার গাড়ি থেকে চার অপরাধীকে পাওয়া যায়। এই ঘটনার জন্যও পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল।