নির্বিঘ্নে করা গেল না ঝীড়খণ্ডের প্রথম দফার নির্বাচন। ভোট শুরু দুঘণ্টার মধ্যে গুমলা জেলার বিষনপুরে বিস্ফোরণ ঘটালো মহাওবাদীরা। সকাল ৭টায় শুরু হয় মাওবাদী অধ্যুষিত রাজ্যের ১৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ। আর সকাল ৯টা নাগাদ হামলা চালায় মাওবাদীরা। বিস্ফোরণে উড়ে যায় বিষনপুরের গুরুত্বপূর্ণ সেতু। ফলে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। 

এদিকে প্রথম দফার ভোটেই কংগ্রেস- বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে চইনপুরের কোশিয়ারা গ্রাম। অভিযোগ ডালটনগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী তথআ প্রাক্তন মন্ত্রী কে এন ত্রিপাঠী পিস্তল বার করেন বুথের সামনে। এই ঘটনায় তীব্র শোরগোল পড়ে যায়। 

 

 

অন্যদিকে তাঁকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ত্রিপাঠির। বিজেপি কর্মীদের দিকেই আঙ্গুল তুলেছেন তিনি। পাল্টা কংগ্রেস প্রার্থীর রক্ষীরাও বন্দুক উঁচিয়ে তেড়ে যান। তারপরেই জনসমক্ষে নিজের পিস্তল বার করেন প্রাক্তন মন্ত্রী কে এন ত্রিপাঠি। তাঁর দাবি, হামলায় নিজেকে রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ।

৮১ আসনের ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় শনিবার অনুষ্ঠিত হল ১৩টি কেন্দ্রে নির্বাচন। এবার বিজেপিকে হারাতে মহাজোট করেছে জেএমএম-কংগ্রেস-আরজেডি। জোটের প্রার্থী হয়েছেন ত্রিপাঠি। তাঁর উপর হামলার আশঙ্কা আগেই করেছিল বিরোধী শিবির। 

ডালটনগঞ্জে বিজেপি ব্যাপক রিগিং চালিয়েছে বলে অভিযোগ কংগ্রেস শিবিরের। যদিও বিজেপি প্রার্থী অলোক চৌরাশিয়া এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। 

এবার পাঁচ দফায় হচ্ছে ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা নির্বাচন। প্রথম দফায় মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় ভোট থাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছিল নিরাপত্তা কনমিশন। নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কোবরা ফোর্সকে।