বায়ুসেনার কমব্যাট হেলিকপ্টার এলসিএইচ প্রচণ্ডতে চড়বেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমের বিমান বাহিনী স্টেশন থেকে এই বায়ুসেনার হালকা কমব্যাট হেলিকপ্টারে চড়বেন।

বায়ুসেনার কমব্যাট হেলিকপ্টার এলসিএইচ প্রচণ্ডতে চড়বেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমের বিমান বাহিনী স্টেশন থেকে এই বায়ুসেনার হালকা কমব্যাট হেলিকপ্টারে চড়বেন। এটাই প্রথমবারের মতো যখন কোনও রাষ্ট্রপতি দেশে তৈরি একটি কমব্যাট হেলিকপ্টার সহ-পাইলট হবেন। বিকেলে রাষ্ট্রপতি পোখরান ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে (চন্দন এলাকা) ভারতীয় বিমান বাহিনীর বৃহত্তম প্রদর্শনী, "বায়ু শক্তি-২০২৬"-তে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন।

প্রচণ্ড হেলিকপ্টার কী?

প্রচণ্ড হল সম্পূর্ণরূপে ভারতে নির্মিত একটি হালকা যুদ্ধ হেলিকপ্টার, যা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) দ্বারা নির্মিত। এটি উঁচু এলাকার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে (যেমন লাদাখ এবং সিয়াচেন)। প্রচণ্ড ৬,৫০০ মিটার পর্যন্ত উড়তে পারে। এর ওজন ৫৮০০ কেজি। গতি ঘণ্টায় ২৬৮ কিলোমিটার। এতে ২০ মিমি কামান, ৭০ মিমি রকেট, হেলিনা অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইল লাগানো আছে। দুটি শক্তিশালী 'শক্তি' ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে এই হেলিকপ্টারে। এই হেলিকপ্টার শত্রুর রাডার ফাঁকি দিতে পারে। হেলিকপ্টারটি ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং বিমান বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি পাকিস্তান ও চিন সিমান্তে শত্রুর ট্যাঙ্ক, বাঙ্কার ধ্বংস করতে কাজে লাগতে পারে।

বায়ু শক্তি-২০২৬ কী?

'বায়ু শক্তি' হল ভারতীয় বিমান বাহিনীর বৃহত্তম লাইভ ফায়ারপাওয়ার প্রদর্শনী। এই বছর, এটি ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে জয়সলমীরের কাছে পোখরান রেঞ্জে অনুষ্ঠিত হবে। েতে অং নেবে ৭৭টি যুদ্ধবিমান (রাফাল, সুখোই-৩০, মিরাজ-২০০০, ইত্যাদি) ও ৪৩টি হেলিকপ্টার (প্রচণ্ড, অ্যাপাচি, চিনুক, এএলএইচ, ইত্যাদি)। দিন ও রাত উভয় সময়েই আক্রমণের প্রদর্শন করা হবে। দেশে তৈরি মিসাইল, বোমা এবং গোলাবারুদের ব্যবহার দেখানো হবে। এই মহড়ায় দেখানো হবে কীভাবে ভারতীয় বিমান বাহিনী সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে শত্রু অবস্থান ধ্বংস করতে পারে।