শেষ পর্যন্ত রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে পদত্যাগই করলেন স্বপন দাশগুপ্ত। আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে, তাঁকে প্রার্থী করেছে  ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। তারপরই তাঁর রাজ্যসভার সদস্যপদ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এই নিয়ে সোমবার দিনভর বিতর্কও হয়। মঙ্গলবারই রাজ্যসভার চেয়ারপারসন বেঙ্কাইয়া নাইডুকে তাঁর পদত্যাগ পাঠিয়ে দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির এই পরিচিত মুখ, এমনটাই জানা গিয়েছে।

আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে হুগলির তারকেশ্বর বিধানসভা আসন থেকে স্বপন দাশগুপ্তকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। তবে তাঁর নাম প্রার্থী হিসাবে গোষণার পরই তাঁর মনোনয়নের বিষয়ে আপত্তি তুলেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সাংসদ মহুয়া মৈত্র টুইট করে বলেছিলেন, সংবিধানের দশম তফসিলের অধীনে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার ফলে রাজ্যসভার সদস্য হিসাবে স্বপন দাশগুপ্তকে 'অযোগ্য' ঘোষণা করা যেতে পারে। উচ্চকক্ষে এই প্রস্তাব তোলার জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তার আগেই পদত্যাগ করলেন রাজ্য বিজেপির অন্যতমম প্রধান এই মুখ।   

সোমবারই তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র টুইটারে বিষয়টি তুলেছিলেন। সংবিধানের দশম তফসিলের ছবি দিয়ে তিনি বলেছিলেন, শপথ গ্রহণের পর ছমাস পর কোনও রাজ্যসভার মনোনীত কোন সাংসদ যদি কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেন, তাহলে সেই মনোনীত সাংসদকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। প্রসঙ্গত ২০১৬ সালে রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন স্বপন দাসগুপ্ত। এদিন সকাল অবধি, রাজ্যসভার ওয়েবসাইটে অবশ্য তাঁকে বিজেপির সদস্য নয়, বরং মনোনীত সদস্য হিসাবে দেখানো হয়েছে।

এই বিষয়ে আগেই স্বপন দাশগুপ্ত বলেছিলেন, মনোনয়ন প্রক্রিয়ার আগে এই সমস্ত বিষয়গুলির সমাধান করা হবে। তারকেশ্বরকে তিনি 'বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কেন্দ্র' বলে বর্ণনা করেছেন। এই আসন থেকে বিজেপির মনোনীত প্রার্খী হতে পেরে তিনি সম্মানিত বলেও জানিয়েছিলেন।