২০১৭ সালে দেশের ৭১ শতাংশ এলাকায় ছিল বিজেপি বা তাদের জোট সরকার। তারপর থেকে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, - একের পর এক রাজ্য হাতছাড়া হয়েছে বিজেপির। সোমবার ঝাড়খণ্ড থেকেও ঝড়ে গিয়েছে রঘুবর দাস-এর সরকার। এতদিন পর পর রাজ্যে যখন বিজেপির অশ্বমেধের ঘোড়া দৌড়োচ্ছিল, অমিত শাহ-কে তুলে ধরা হচ্ছিল আধুনিক যুগের চাণক্য হিসেবে।

একের পর এক রাজ্যে ছলে বলে কৌশলে সরকার ঠিক গড়ে ফেলতেন অমিত। মহারাষ্ট্রে সেই ছলাকলা ধাক্কা খেয়েছিল। ঝাড়খণ্ডে সেই সুযোগই আসেনি। তারপর কী বলছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি?

সোমবার সন্ধাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টুইট করে জানান, ঝাড়খণ্ডের মানুষ যে রায় দিয়েছেন, তাকে বিজেপি সম্মান করে। বিজেপিকে গত ৫ বছরের রাজ্যের সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। পরাজয়ের পরও বিজেপি রাজ্যের উন্নয়নে বদ্ধপরিকর থাকবে। একই সঙ্গে দলের যে সকল কর্মী প্রচার পর্বে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, তাদেরও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।


 
৮১ সদস্যের ঝাড়খণ্ড লোকসভায় মোট ৪৭টি আসন জিতেছে মহাজোট (জেএমএম ৩০, কংগ্রেস ১৬, আরজেডি ১)। আর বিজেপি জিতেছে ২৫টি আসন। তাদের সহযোগী জেভিএম (পি)-এর জুটেছে মাত্র ৩টি আসন। এজেএসইউ পেয়েছে ২ টি আসন এবং সিপিআই (এমএল) ও শরদ পওয়ারের এনসিপি পেয়েছে ১টি করে আসন। কাটা ঘায়ে নুনের ছিটের মতো নির্দল প্রার্থী সর্যু রাই-এর কাছে ১৫০০০-এরও বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস।