রাজ্যে হিংসার আবহ। গতকালই অমিত শাহর পথসভাকে ঘিরে তুলকালাম হয়ে গিয়েছে। কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজে নজিরবিহীন ভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে বিদ্যাসাগরের মূর্তি। 

সারা দেশে উত্তেজনা তৈরি হলেও নরেন্দ্র মোদীর কাছ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। গোটা ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়কে দায়ী করার জন্যে বসিরহাটের মঞ্চকে বেছে নিলেন নরেন্দ্র মোদী।  তোপ দাগলেন মমতার বিরুদ্ধে। জানিয়ে দিলেন নিজের মত, এই নৈরাজ্যের সমস্ত দায় নাকি তৃণমূল সরকারের। একই সঙ্গে ৩০০ আসন পাওয়ার প্রত্যয় জানালেন।

দেখা যাক এদিন মোদী ঠিক কী কী বললেন-

১ কালকের ছবি গোটা দেশ দেখেছে। আজ সারা দেশে এটাই চর্চায়। বিজেপির ঢেউ দেখে মমতদিদি ভয় পেয়ে গেছেন। তাই তিনি এই হামলা করে ভয় দেখানোর চেষ্টা করলেন।

২ হিংসা করছেন দিদি।  নিজের ছায়াকেই ভয় পাচ্ছেন তিনি জমি হাত ছাড়া হতে দেখে। 

৩  বাংলার সমর্থনে ৩০০ সিট পাব আমরা। একা যদি ৩০০ আসন পাই, তাহলে এনডিএ কটা পাবে আপনারা জানেন।

৪ নেতাজী, অরবিন্দ, শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসের রা্জ্যে মানুষকে ভয় দেখিয়ে কিছু হবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজপাট হারানোর ভয়ে রয়েছেন।

 ৫ বছর পাঁচেক আগে দিল্লিতে কলকাতার মেয়ের প্রশ্নে মমতা ধমকেছিলেন তাঁকে, তা আজও  সোশ্যাল মিডিয়ায় রয়েছে।

৬ প্রিয়ঙ্কা শর্মাকেও (হাওড়া মহিলা মোর্চার সদস্য) জেলে ভরেছেন তিনি। ভাজপার নেতাদের সভা করতে দেওয়া হচ্ছে না।

৭  মমতার লোকজন নেতাজীর পরিবারকে ছাড়েনি।

৮ আপনি নিজেই তো একজন চিত্রকর। আপনি আমার বিরুদ্ধে ছবি আঁকুন। আমি নিজের কাছে রাখব।

৯ তোলাবাজি, চুরির দল বাড়তেই থাকবে, ২৩ মে দিদির এই স্বপ্ন ভাঙবে।

১০ সারদা কাণ্ডের হিসেব আমরা নেবই। একটা ভোটে সেটাই নিশ্চিত করবে।

১১ দিদি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী মানেন। আমাকে দেশের প্রধানমন্ত্রী মানেন না।

১২ সমস্ত গরীব মানুষের মাথায় ছাদ দেওয়া হবে ২০২২ সালের মধ্যে।