জাতকের জন্ম সময়, তারিখ এবং জন্মস্থানের ভিত্তিতে, জন্মকালে মহাকাশে গ্রহের অবস্থান নিরুপণ করে অথবা প্রশ্নের সময় গ্রহাদির অবস্থান নির্ণয় করে, অথবা হস্তরেখাবিচার, শরীরের চিহ্নবিচার ইত্যাদি বিভিন্ন পদ্ধতির ব্যবহারে প্রশ্নকর্তার ভবিষ্যতের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করার জ্ঞান ও পদ্ধতিকে জ্যোতিষশাস্ত্র বলা হয়। আবার জ্যোতিষশাস্ত্রের একটি বিভাগ দেশ, রাজ্য, শহর, গ্রাম ইত্যাদির এবং প্রাকৃতিক ঘটনাবলীর যেমন বৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, ভূমিকম্প, ঝড়, ঝঞ্ঝা, মহামারী বা প্লাবণের ভবিষ্যদ্বাণী করতেও ব্যবহৃত হয়।

আরও পড়ুন- রবিবার কেমন কাটবে আপনার, দেখে নিন আজকের রাশিফল

প্রতিটি মানুষেরই জীবনে সাফল্য পেতে বহু বাধা বিপত্তি অতিক্রম করতে হয়। নানান সমস্য়া ও প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠে তবে একজন ব্যক্তি সাফল্যের মুখ দেখেন। তবে এমন বহু ব্যক্তি আছেন যাঁরা প্রতিনিয়ত বাধা বিপত্তি সম্মুখিন হয়েও জীবনে সফল হতে পারছেন না। জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে, ভাগ্য অনুযায়ী জীবনে নানা ঘটনা বা বিভিন্ন অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। রাশি ভেদে আমাদের ভাগ্যে নির্ধারণ করা থাকে আমাদের কর্মজীবন কেমন হবে। 

আরও পড়ুন- পৌষের অমাবস্যায় এই ব্রত, বহু সমস্যা কাটিয়ে দেয় অবিশ্বাস্য ফল

আমাদের জীবনে নানা ধরনের শুভ বা অশুভ ঘটনা, যা আমাদের ভাগ্যে পূর্ব নির্ধারিত হয়ে রয়েছে তা জানা যায় এক মাত্র জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে। রাশিচক্রের চতুর্থরাশি কর্কট। এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ হল চন্দ্র। এই জাতক জাতিকারা বিলাসী কিন্তু আদর্শবাদী হয়ে থাকেন। আত্মকেন্দ্রীক, চঞ্চল প্রকৃতির, ঘুরতে পছন্দ করেন। প্রতিটি মানুষেরই জীবনে সাফল্য পেতে বহু বাধা বিপত্তি অতিক্রম করতে হয়। নানান সমস্য়া ও প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠে তবে একজন ব্যক্তি সাফল্যের মুখ দেখেন। তবে এমন বহু ব্যক্তি আছেন যাঁরা প্রতিনিয়ত বাধা বিপত্তি সম্মুখিন হয়েও জীবনে সফল হতে পারছেন না। সেভাবেই আজ জেনে নেওয়া যাক, ২০২০ সালে কর্কট রাশির জাতক জাতিকাদের কর্মজীবন কেমন হবে।

আরও পড়ুন- পৌষ মাসের শনিবার মেনে চলুন এই নিয়ম, কাটিয়ে উঠুন দারিদ্রতা ও খারাপ সময়ের যোগ

এই রাশির জাতক জাতিকারা আবেগপ্রবণ, চঞ্চল, অবাধ মেলামেশায় পারদর্শী হয়। ভালো ব্যবহারের জন্য জনপ্রিয় হয় ঠিকই তবে এদের পিছনে এদের বিরুদ্ধে শত্রুতা করে। এই রাশির জাতক জাতিকাদের অতিরিক্ত বন্ধু থাকার জন্য অসৎসঙ্গের সঙ্গেও মেলামেশা চলতে থাকে এদের। ফলে এদের প্রচুর গোপণ শত্রু থাকে। তাই এদের খুবই সতর্কভাবে মেলামেশা করা প্রয়োজন। কারন অত্যাধিক গোপণ শত্রুর ফলে এদের কর্মজীবনে উন্নতির পথে বাধার সৃষ্টি হয়। তাই এদের প্রয়োজনীয় প্রতিকারের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।