কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষের একাদশীকে হিন্দু ধর্মে খুব পবিত্র দিন  এই দিনে ভগবান বিষ্ণু ৪ মাস পরে ঘুম থেকে জাগ্রত হন বিশেষ দিনটিতে তাই ভগবান বিষ্ণুর পুজো করলে বহু সমস্যা সহজেই কাটিয়ে ওঠা যায় জেনে নেওয়া যাক সেই নিয়মগুলি

কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষের একাদশীকে হিন্দু ধর্মে খুব পবিত্র দিন বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী এই দিনে ভগবান বিষ্ণু ৪ মাস পরে ঘুম থেকে জাগ্রত হন। পুরাণে বিষ্ণুর দশাবতারেরও বর্ণনা রয়েছে। বিষ্ণুর এই দশ প্রধান অবতারের মধ্যে নয় জনের জন্ম অতীতে হয়েছে এবং এক জনের জন্ম ভবিষ্যতে কলিযুগের শেষলগ্নে হবে বলে হিন্দুরা বিশ্বাস করেন। বিষ্ণু সহস্রনামে সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার উক্তিতে বিষ্ণুকে "সহস্রকোটি যুগ ধারিনে" বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর অর্থ, বিষ্ণুর অবতারগণ সকল যুগেই জন্মগ্রহণ করে থাকেন। ভগবদ্গীতা অনুসারে, ধর্মের পালন এবং দুষ্টের দমন ও পাপীর ত্রাণের জন্য বিষ্ণু অবতার গ্রহণ করেন। হিন্দুদের প্রায় সকল শাখাসম্প্রদায়ে, বিষ্ণুকে বিষ্ণু বা রাম, কৃষ্ণ প্রমুখ অবতারের রূপে পুজো করা হয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন- মঙ্গলবারের সারাদিন কেমন কাটবে, দেখে নিন এক নজরে

 এই বিশেষ দিনটিতে তাই ভগবান বিষ্ণুর পুজো করলে এবং বিশেষ কিছু জিনিস উৎসর্গ করলে সন্তান-সহ সংসারের বহু সমস্যা সহজেই কাটিয়ে ওঠা যায়। জেনে নেওয়া যাক সেই নিয়মগুলি

ক্ষীর- যদি বাড়িতে এমন কোনও মেয়ে থাকে যার বিয়ে হচ্ছে না। অেক চেষ্টার পরেও উপযুক্ত বর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে সেই মেয়েকে কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষের একাদশীতে ভগবান বিষ্ণুর কাছে ক্ষীর উৎসর্গ করুন। খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন- বাড়িতে এই পোষ্যগুলি থাকলে ফিরবে সৌভাগ্য, দূর হবে নেগেটিভ শক্তি

তুলসী- সন্তান যদি পড়াশুনায় দুর্বল হয় বা অমনযোগী হয়, তাহলে কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষের একাদশীতে বিষ্ণু মন্দির গিয়ে তুলসীর মালা অর্পণ করুন এবং সেই সঙ্গে দেবী সরস্বতীর মন্ত্র জপ করতে বলুন সমস্যা কেটে যাবে।

ময়ূরের পালক- যদি বিয়ের পর অনেক চেষ্টা করেও দম্পতি সন্তান ধারনে অক্ষম থাকেন তাহলে কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষের একাদশীতে বিষ্ণু মন্দির গিয়ে ময়ূরের পালকের তৈরি একটি মুকুট অর্পণ করুন। 

আরও পড়ুন- নতুন বছরে সরকারি চাকরির প্রাপ্তিযোগ রয়েছে এই রাশিগুলির

শঙ্খ- পরিবার এবং স্বাস্থ্যের সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষে দক্ষিণমুখি শঙ্খ দিয়ে ভগবান বিষ্ণুর আভিষেক করুন। কোনও বিষ্ণু মন্দিরে শঙ্খটি উৎসর্গ করুন। এতে সংসারের এভং স্বাস্থ্য়ের উন্নতি হবে।