দৈনন্দিন জীবনে চলার পথে আমাদের প্রত্যেকেই কিছু না কিছু সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়। প্রত্যেকটি মানুষের জীবনেই রয়েছে নানান সমস্যা। যার সঙ্গে প্রতিনিয়ত আমাদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে, গ্রহ নক্ষত্রের শুভ-অশুভ প্রভাবের ফলে আমাদের জীবনে এই সমস্ত সমস্যা দেখা দেয়। সেই রকমই একইভাবে গ্রহ-নক্ষত্রের পাশাপাশি বাস্তুর প্রভাবেও মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নানান জটিল সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। যা জীবনে চলার পথে প্রতিনিয়ত বাধার সৃষ্টি করে। সাফ্যলের পথে বাধার সৃষ্টি করে জীবন দুর্বিসহ করে তোলে। তাই জীবনের এই সমস্ত জটিল সমস্যা বা বাধা কাটিয়ে ওঠার জন্য সমস্ত অশুভ শক্তির বিনাশ করে শুভ শক্তির উদয় ঘটানো প্রয়োজন। যা আমাদের জীবনের খারাপ পরিস্থিতি থেকে কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। 

আরও পড়ুন- সোনা কিনলেই হবে না, ধনতেরাসে সৌভাগ্য ফিরে পেতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি

বাস্তুশাস্ত্র মতে, আমরা যদি বাস্তুর কিছু নিয়ম মেনে চলি, তাহলে আমরা খুব সহজেই এই খারাপ সময় কাটিয়ে উঠতে পারব। অনেক সময় দেখা যায় গ্রহ দোষ না থাকলেও জীবনে বাধা বিপত্তি আসছে, তখন বুঝতে হবে বাস গৃহে বা কর্মক্ষেত্রে বাস্তু দোষ আছে। বাস্তুশাস্ত্রের প্রতি মানুষের নির্ভরতা দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে। তার কারণ, মানুষ ধীরে ধীরে বাস্তুশাস্ত্রের কার্যকারীতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অবগত হচ্ছেন।  বাস্তুশাস্ত্র মতে, আমাদের বাসস্থানের দশটি দিক আছে। প্রতিটি দিকের অধিপতিরূপে এক একজন দেবতা থাকেন। প্রতিটি দিকের আবার এক একজন অধিপতি গ্রহ আছে। প্রতিটি দিক অনুযায়ী রয়েছে, ভিন্ন প্রতিকা। তাই জেনে নেওয়া ধনতেরাসের মত শুভ দিনে বাস্তুশাস্ত্র মত জেনে নিন, কীভাবে কাটিয়ে উঠবেন বাস্তুদোষ।

আরও পড়ুন- দীপাবলিতে এই জিনিসগুলি দর্শণ করলেই বুঝবেন, জীবনে ভালো কিছু ঘটতে চলেছে

আরও পড়ুন- বাস্তুর নিয়ম মেনে ধনতেরসে কেনাকাটি করুন, নিজের ভাগ্য ফিরিয়ে আনুন

বাস্তু মতে ঈশান কোণ জ্ঞান ও শিক্ষার আধার। ঈশান কোণ অর্থাৎ উত্তর-পূর্ব কোণ। এই কোণে কোনও বাস্তুদোষ থাকলে সেটা প্রশমিত করার জন্য ক্রিস্টাল ঝুলিয়ে রাখা প্রয়োজন। 
এই উত্তর-পূর্ব কোণে যদি নোংরা আবর্জনা থাকে তাহলে তা বাস্তু দোষ তৈরি করে। আর এই বাস্তু দোষ আপনার সন্তানের পড়াশোনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। 
এর উপযুক্ত প্রতিকার করা অত্যন্ত জরুরি। তাই পড়াশোনায় একাগ্রতা বাড়ানোর জন্য বিদ্যার্থীর অধ্যয়ন কক্ষের উত্তর-পূর্ব কোণে একটি ক্রিস্টাল বল ঝুলিয়ে রাখলে অবশ্যই উপকার পাবেন। 
ক্রিস্টাল বল থেকে বিচ্ছুরিত আলোকরশ্মি বিদ্যার্থীকে ধীরে ধীরে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তুলবে। 
ক্রিস্টাল বলটি ঝুলিয়ে দেওয়ার আগে বিশেষ পদ্ধতিতে জাগ্রত করে নিতে হবে এবং কিছু দিন পর পর এই বলটিকে শোধন করাতে হবে।