কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমাকেই বলা হয় কার্তিক পূর্ণিমা। বিশেষ এই তিথিতেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন প্রথম শিখ গুরু নানক। তাই এই পবিত্র দিনের হিন্দু ধর্মে বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। মনে করা হয় দীপাবলির পরের এই পূর্ণিমা তিথিতে গঙ্গা স্নান করলে সারা বছরের গঙ্গা স্নানের পূণ্য অর্জণ করা যায়। এই বছরে বিশেষ এই তিথি পড়েছে বাংলার ২৫ কার্তিক, ইংরেজির ১২ নভেম্বর ২০১৯ মঙ্গলবার। হিন্দু শাস্ত্র মতে এইদিনে চাঁদের আলোয় থাকে ইতিবাচক শক্তি। আর বিশেষ এই তিথিতে উপবাস করলে মেলে এক হাজার অশ্বমেধ এবং একশোটি রাজসূয় যজ্ঞের সমান পুণ্য।

আরও পড়ুন- মৃত্যুর আগাম খবর জানান দেয় এই প্রাণীরাই

হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত শিখদের এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব হিসেবে পালিত হয়। শিখ সম্প্রদায় এই দিনটি গুরু পরব উৎসব হিসেবে পালন করেন। গুরু নানক দেব ছিলেন শিখ ধর্মের প্রথম গুরু। গুরু নানক দেবের এই জন্মবার্ষিকী পালিত হয় সারা বিশ্বে। এই দিনে প্রভাতফেরি উৎসবের মধ্যে দিন শুরু হয় উৎসবের। অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরে এই দিন পালিত হয় বিশেষভাবে। 

আরও পড়ুন- বাড়িতে বিয়ের প্রস্তুতি চলছে, তবে ভুলেও তত্ত্বে রাখবেন না এই জিনিসগুলি

মনে করা হয় এই বিশেষ দিনে গঙ্গায় স্নান এবং মৌসুমী ফলের দানকে অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচনা করা হয়।

এই দিনে লক্ষ্মীপুজো বা অশ্বত্থগাছে পুজো করে প্রদীপ দান করলেও মেলে সুফল।

গঙ্গাস্নানের পর সূর্য প্রণাম করা করলে পূণ্যলাভ করা যায়।

আরও পড়ুন- সোমবারের সারাদিন কেমন কাটবে আপনার, দেখে নিন রাশিফল

বিশেষ এই দিনে দুঃস্থদের ফল, খাদ্য ও শীতবস্ত্র দান করা পবিত্র বলে মনে করা হয়।

কার্তিক পূর্ণিমায় শিবলিঙ্গে জল নিবেদন সহ শিব পুজো করলেও মেলে শিবব্রত পালনের সমান পূণ্য।