অনেক সংস্কৃতির মধ্যেই জ্যোতির্বিজ্ঞানের ঘটনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতীয়, চীনা ও মায়া সভ্যতার অধিবাসীগণ মহাকাশ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পার্থিব ঘটনাগুলির ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য এই বিষয়ের চর্চা এবং উন্নয়ন সাধন করেছিলেন। পশ্চিমে, জ্যোতিষশাস্ত্র প্রায়ই একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের ব্যাখ্যা করার জন্য এবং তার জন্মের সময় সূর্য, চন্দ্র, এবং অন্যান্য জ্যোতিষ্কগুলির অবস্থানের উপর ভিত্তি করে তার জীবনের ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য ব্যবহৃত হত। 

আরও পড়ুন- বৈশাখ মাস কেমন প্রভাব ফেলবে বৃশ্চিক রাশির উপর, দেখে নিন

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, জন্মের সময় পৃথিবী যে রাশি বা লগ্নকে অতিক্রম করে সেই রাশিকে জন্ম-লগ্ন বলে। রাশিচক্রের চতুর্থরাশি কর্কট। এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ হল চন্দ্র। এই জাতক জাতিকারা বিলাসী কিন্তু আদর্শবাদী হয়ে থাকেন। আত্মকেন্দ্রীক, চঞ্চল প্রকৃতির, ঘুরতে পছন্দ করেন। প্রতিটি মানুষেরই জীবনে সাফল্য পেতে বহু বাধা বিপত্তি অতিক্রম করতে হয়। নানান সমস্য়া ও প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠে তবে একজন ব্যক্তি সাফল্যের মুখ দেখেন। তবে এমন বহু ব্যক্তি আছেন যাঁরা প্রতিনিয়ত বাধা বিপত্তি সম্মুখিন হয়েও জীবনে সফল হতে পারছেন না। জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে, ভাগ্য অনুযায়ী জীবনে বিভিন্ন ঘটনা বা বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। এখন দেখে নেওয়া যাক কর্কট লগ্নের জাতক- জাতিকার ব্যক্তিত্ব কেমন হয়। 

এই লগ্নের জাতক জাতিকারা আবেগপ্রবণ, চঞ্চল, অবাধ মেলামেশায় পারদর্শী হয়। ভালো ব্যবহারের জন্য জনপ্রিয় হয় ঠিকই তবে এদের পিছনে এদের বিরুদ্ধে শত্রুতা করে। এই লগ্নের জাতক জাতিকাদের অতিরিক্ত বন্ধু থাকার জন্য অসৎ সঙ্গের সঙ্গেও মেলামেশা চলতে থাকে এদের। ফলে এদের প্রচুর গোপণ শত্রু থাকে। তাই এদের খুবই সতর্কভাবে মেলামেশা করা প্রয়োজন। কারন অত্যাধিক গোপণ শত্রুর ফলে এদের কর্মজীবনে উন্নতির পথে বাধার সৃষ্টি হয়। তাই এদের প্রয়োজনীয় প্রতিকারের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।