মহা শিবরাত্রি ২০২৬: ৩০০ বছর পর তৈরি হচ্ছে বিরল রাজযোগ! টাকার বৃষ্টি হবে এই রাশির ওপর!
মহা শিবরাত্রি ২০২৬: প্রায় ৩০০ বছর পর এক বিশেষ মহাজাগতিক সংযোগ নিয়ে আসছে মহা শিবরাত্রি ২০২৬। ভগবান শিবকে উৎসর্গীকৃত এই পবিত্র রাতের বিশেষ আধ্যাত্মিক গুরুত্ব রয়েছে। জ্যোতিষীরা শক্তিশালী গ্রহযোগ এবং বিশেষ আশীর্বাদের ভবিষ্যদ্বাণী করছেন।

মহাশিবরাত্রির ২০২৬ সালের বিরল ঘটনা এবং আধ্যাত্মিক গুরুত্ব
২০২৬ সালের মহা শিবরাত্রি অত্যন্ত শুভ হতে চলেছে। প্রায় ৩০০ বছর পর এমন বিরল গ্রহের সংযোগ ঘটছে। এই দিনে ত্রিগ্রহী যোগ, শ্রাবণ নক্ষত্র এবং আরও ৮টি শুভ যোগ তৈরি হচ্ছে।
কিছু রাশির জন্য সৌভাগ্য
জ্যোতিষীদের মতে, এই বিরল সংযোগ কিছু রাশির জন্য সৌভাগ্য নিয়ে আসবে। মেষ রাশির জাতকদের আর্থিক বৃদ্ধি হবে। কন্যা রাশির জাতকরা কর্মজীবনে উন্নতি করবে এবং বৃশ্চিক রাশির জাতকদের পদোন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।
মহাশিবরাত্রির তারিখ ও শুভ সময়
২০২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৫:০৬ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫:৩২ পর্যন্ত চতুর্দশী তিথি থাকবে। এই রাতে জলাভিষেক ও রুদ্রাভিষেক করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিষ্ঠার সঙ্গে উপবাস করলে বিবাহের বাধা দূর হয়।
শ্রেষ্ঠ ব্রত মহাশিবরাত্রি
শাস্ত্রমতে, সকল ব্রতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ব্রত মহাশিবরাত্রি। শিবরাত্রির ব্রত পালন করলে পুণ্য লাভ হয়। হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে দেবাদিদেব মহাদেব এবং দেবী পার্বতীর বিয়ের দিন হল এই শিবরাত্রি। ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে পালিত হয় মহাশিবরাত্রি।
ব্রতের নিয়ম
শিবরাত্রির আগের দিন নিরামিষ আহার গ্রহণ করতে হবে। শিবরাত্রির দিন উপবাস রেখে চার প্রহরে চার বার শিবলিঙ্গকে গঙ্গাজল, দুধ, দই, ঘি এবং মধু সহযোগে স্নান করানোর পর বেলপাতা, ধুতরো, নীলকণ্ঠ (নীল অপারিজতা), আকন্দ ফুল এবং বেল ও অন্যান্য ফল সহযোগে ‘ওম নমো শিবায়’ মহামন্ত্র পাঠে দেবাদিদেব মহাদেবের অভিষেক করতে হবে। পরের দিন পারণ এবং অতিথি ভোজন পালনের মধ্যে দিয়ে শ্রীশ্রী শিবরাত্রির ব্রত সম্পন্ন করতে হবে।
শিবরাত্রি কী?
শিবরাত্রি মহাদেব এবং দেবী পার্বতীর বিয়ের তিথি। অর্থাৎ, এই তিথি হল শিব তথা পুরুষশক্তি এবং আদিশক্তির মিলনতিথি। এই তিথিতে দেবাদিদেব মহাদেব এবং দেবী পার্বতীর আরাধনায় অজ্ঞতা, অন্ধকার দূর হয়। পূরণ হয় মনের সকল বাসনা।

