শাস্ত্র মতে, সৃষ্টির পূর্বে একমাত্র শিবই বর্তমান ছিলেন। তিনিই লীলাচ্ছলে ব্রহ্মারূপে সৃষ্টি করেন, বিষ্ণুরূপ ধারণ করে পালন করেন আবার রুদ্ররূপ ধারন করে সংহার করেন। ব্রহ্মা-বিষ্ণু-হর তারই সৃষ্টি-স্থিতি-লয়ের তিনটি রূপভেদ মাত্র। তাই এই তিন রূপের মধ্যে সত্বার কোন পার্থক্য নেই। তবু সনাতন রূপ পরম শিবরূপই মূলস্বরূপ। জীবনের সকল বাধা বিপত্তি কাটিয়ে উঠতে, সকল মনোঃষ্কামনা পূরণ করতে  নিষ্ঠাভরে পালন করুন মহাশিব রাত্রি ব্রত। সব ব্রতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হল এই মহাশিবরাত্রি।

আরও পড়ুন- মানব জীবনে রামধনুর সাত রং-এর প্রভাব ও ব্যক্তিত্ব

তবে পারদের শিবলিঙ্গ পুজো করলে বহু সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ করা যায়। শাস্ত্রীয় মতে, এই শিবলিঙ্গে নাম গোত্রে সংকল্প করে পুজো, হোম  করে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করতে হয়। তাহলে এই পারদ শিবলিঙ্গ সম্পূর্ণ ফল দান করে। পারদের শিবলিঙ্গে পুজো করলে মুক্তি পাওয়া যায় জীবনের নানান সমস্যা থেকে। তবে জেনে নেওয়া যাক কেন আপনি পারদের শিবলিঙ্গে পুজো করবে। 

আরও পড়ুন- বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে চান, এই বিষয়ে কী জানাচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র

এই শিবলিঙ্গ আরাধনা করলে সমস্ত পাপ মুক্তি হয় এবং সর্বদুঃখ দূরে হয়। বিবাহযোগ্য কন্যারা পারদের শিবলিঙ্গ পুজো করলে তাঁদের মনের সকল ইচ্ছে পূরণ হয় ও মন মত বর লাভ হয়। পারদ শিবলিঙ্গের পুজোয় সর্ব রোগ মুক্তি ঘটে। এছাড়া পারদের শিবলিঙ্গে পুজো কালসর্প যোগ ও শনির সাড়ে সাতি থেকে মুক্তি লাভ করা যায়। বিধিমত করে পারদের শিবলিঙ্গে বাড়িতে স্থাপন করলে বাস্তুদোষ নাশ হয়। অকাল মৃ্ত্যুর হাত থেকে বাঁচতে পারদ শিবলিঙ্গের পুজোর বিধি দেন অনেকে।