এমন অনেক সময় আমরা অনেক কাজ করে ফেলি যার ফলে আমাদের জীবনে তার প্রভাব পড়তে পারে। এমন অনেক সময় আমরা আমাদের অজান্তেই সেই সমস্ত কাজ করে থাকি যার ফলে আমাদের জীবনে নেমে আসতে পারে চরম দুর্দশা। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, গাছ উপড়ে ফেললে তার প্রভাবে অনেক সময় আমাদের উপর মহাদোষ লাগতে পারে। এই দোষ কাটিয়ে না উঠতে পারলে মৃত্যু অবধি হতে পারে। এমন বহু ঘটনা রয়েছে যার হয়তো সঠিকভাবে বৈজ্ঞানিক ব্যাখা দেওয়া বিশেষজ্ঞদের পক্ষেও উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। 

আরও পড়ুন- রক্ত প্রবাল দেখে বুঝবেন কী করে তা খাঁটি, জেনে নিন সহজ উপায়

বাড়ির দেওয়ালে বা কার্নিশে অনেক সময় বট বা অশ্বত্থের মত গাছ জন্মাতে দেখা যায়। এই গাছের শিকড়গুলি বাড়ির দেওয়াল দুর্বল করে ক্ষতি করে বাড়ির। পাশাপাশি সৌন্দর্যও নষ্ট হয় বাড়ির। তাই অনেকক্ষেত্রেই আমরা এই গাছগুলি তুলে ফেলে দিই বাড়িকে ক্ষতি হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য। তবে শাস্ত্র মতে, এই গাছ অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়। তাই অনেকক্ষেত্রে বাড়ি থেকে এই গাছ অপসারণে দোষ হয়ে থাকে। যা প্রভাব পড়তে পারে আমাদের জীবনে। তাই এই দোষ কাটাতে বা এড়িয়ে চলতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি-

আরও পড়ুন- এই মাস কেমন প্রভাব ফেলবে কন্যা রাশির উপর, দেখে নিন

যদি সম্ভব হয় বা বাড়িতে যথেষ্ট জায়গা থাকে, তবে বট বা অশ্বত্থ গাছ দেওয়াল থেকে তুলে ফেলার দোষ কাটাতে বাড়ির অন্যস্থানে সেই গাছ পুঁতে দিন। এর ফলেও সেই দোষ কাটিয়ে ফেলতে পারবেন সহজেই। যদি আপনি বাড়ি থেকে বট বা অশ্বত্থ গাছ ফেলে দেন তবে প্রতি অমাবস্যায় বট বা অশ্বত্থ গাছের উপর জল ঢালুন। এতে আপনার দোষ কেটে যায়। এই গাছগুলি ঈশ্বররূপে পূজিত হয় বহু স্থানে। এই গাছগুলিকে ঈশ্বরের বাস বলেও মনে করা হয়। তাই এই গাছ উপড়ে ফেলার দোষ কাটিয়ে উঠতে ভগবান বিষ্ণর আরাধনা করুন। যদি আপনি অশ্বত্থ গাছ তুলে ফেলেন, সেক্ষেত্রে আপনি বড়বাবা অর্থাৎ শনিদেবের পুজো করতে পারেন। শাস্ত্র মতে অশ্বত্থ গাছ নষ্ট করলে শনির দোষ বৃদ্ধি পায়। তাই এই দোষ কাটাতে শনি দেবের পুজো ও অশ্বত্থ গাছে জল দিন এবং দোষ কাটান। মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করলে মানুষের এই দোষ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তাই সঠিক উচ্চারণে এই মন্ত্র জপ করে দোষ মুক্ত হতে পারেন।