জ্যোতিষ্ক বিষয়ক তথ্য, সূত্রাবলী ও ব্যবহারিক প্রয়োগসমূহের সামগ্রিক জ্ঞান জ্যোতিষশাস্ত্র নামে পরিচিত। এই শাস্ত্রের উৎপত্তিকালে জ্যোতিষশাস্ত্র এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান এক এবং অভিন্ন ছিল। পরবর্তিকালে জ্যোতিষশাস্ত্র জ্যোতিষ্কগুলির গতি এবং অবস্থানের ভিত্তিতে, প্রাকৃতিক এবং শারীরিক লক্ষণ অথবা দুয়ের সমন্বয়ে ব্যক্তি, সমষ্টি বা দেশের ভবিষ্যৎ নিরুপণের প্রায়োগিক দিকটি নিয়ে অভিজ্ঞতাভিত্তিক জ্ঞানের সংগ্রহ হিসেবে বিস্তার লাভ করে। অনেক সংস্কৃতির মধ্যেই জ্যোতির্বিজ্ঞানের ঘটনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতীয়, চীনা ও মায়া সভ্যতার অধিবাসীগণ মহাকাশ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পার্থিব ঘটনাগুলির ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য এই বিষয়ের চর্চা এবং উন্নয়ন সাধন করেছিলেন। পশ্চিমে, জ্যোতিষশাস্ত্র প্রায়ই একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের ব্যাখ্যা করার জন্য এবং তার জন্মের সময় সূর্য, চন্দ্র, এবং অন্যান্য জ্যোতিষ্কগুলির অবস্থানের উপর ভিত্তি করে তার জীবনের ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য ব্যবহৃত হত।

আরও পড়ুন- সামান্য এই ঘরোয়া উপাদান, কাটিয়ে দেবে আপনার আর্থিক সমস্যা

জ্যোতিষীদের পরামর্শ মত অনেকেই জীবনের যাবতীয় বাধা কাটানোর জন্য আংটি পরেন। বর্তমানে রত্ন বা পাথর ছাড়াও সমানভাবে জনপ্রিয় টার্টেল রিং অর্থাৎ কচ্ছপের আংটি। বাস্তুমতে কচ্ছপকে শুভ বলে মনে করা হয়। তাই অনেকেই আছেন যারা খারাপ সময় কাটিয়ে ওঠার জন্য এই আংটি পরেন। আবার অনেকে নিছকই ফ্যাশানেবল রিং হিসেবে পরেন এই আংটি। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, যেমন সব পাথর সবার জন্য প্রযোজ্য নয়, ঠিক সেই ভাবেই এই টার্টেল রিংও সবার ধারন করা উচিত নয়। কারন প্রতিটি ভিন্ন রাশির ভিন্ন বিষয়ে শুভ অশুভ প্রভাব বিস্তার করে। কারন সব বস্তু থেকে একটি শক্তি নির্গত হয়। যা সবার পক্ষে উপযুক্ত নয়।

আরও পড়ুন- ঘরে কালো পিঁপড়ে, জানান দেয় এই লক্ষণগুলি

আজকাল অনেকেই হাতে টার্টল রিং পরেন। কচ্ছপ মতো দেখতে এই আংটি এখন ফ্যাশন। তবে এই আংটি সবার ধারন করা উচিৎ নয়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, এমন ৪টি রাশি রয়েছে যাদের এই আংটি ধারন করা উচিত নয়। কারন এই আংটি ধারনের ফলে তাঁদের উপকারের বদলে খারাপ প্রভাব বেশি হয়ে থাকে। সেই চারটি রাশি হল মেষ, কন্যা, বৃশ্চিক ও মীন। এই ৪ রাশির ব্যক্তিদের এই আংটি একদমই ধারন করা উচিৎ নয়। তারা এই রাশির জাতক বা জাতিকারা যদি এই আংটি পরে থাকেন তবে অবশ্যই তা খুলে ফেলুন। নাহলে উপকারের বদলে হতে পারে খারাপ প্রভাব।