বাংলার ১২ মাসের মধ্যে ফাল্গুন মাস ও চৈত্র মাস শিব ভক্তদের অনুকূল বলে মনে করা হয়।  ঠিক এই কারনেই এই সময় বিষ্ণু ও শিবের মন্দিরে হাজার হাজার ভক্তদের সমাগম হয়ে থাকে। ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে, কর্ণাটক ও অন্ধ্র প্রদেশের বহু ভক্ত সোমবার ব্রত পালন করে থাকেন। কারণ এই মাসেই বহু ভক্ত তারকেশ্বর সহ বহু শিবের মন্দিরে জল ঢালতে যান শিবলিঙ্গে। তাই এই মাসে লকডাউনের কারণে ঘরের বাইরে যাওয়া নিষেধ। তাই বাড়িতে থেকেই নিষ্ঠা সহকারে কয়েকটি বিশেষ নিয়ম পালন করে দেবাদিদেব মহাদেব তুষ্ট হন সহজেই। চৈত্র মাস জুড়ে মেনে চলুন এই সাধারণ নিয়মগুলি তাহলেই ঈশ্বরের কৃপাদৃষ্টি বজায় থাকবে আপনার উপর। জেনে নেওয়া যাক সেই নিয়মগুলি-

আরও পড়ুন- আসছে বাংলার নতুন বছর, আর্থিক অবস্থার উন্নতি করতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি

পুরো চৈত্র মাস জুড়ে পালন করুন এই কটি নিয়ম। তাহলেই মহাদেবের কৃপাদৃষ্টি বজায় থাকবে আপনার উপর। জীবনের সমস্ত বাধা কাটিয়ে উঠতে পারবেন সহজেই। চৈত্র মাসের প্রতিদিন সন্ধ্য়াবেলা পূর্ব পুরুষের উদ্দেশে প্রদীপ দান করুন। পুরো মাস এই নিয়ম পালন করুন প্রতিদিন সন্ধ্যে বেলা। জল ঢালার আগের দিন ও পরের দিন পারন পালন করুন। অর্থাৎ দিনে একবেলা অন্নগ্রহণ করুন। ব্রত শেষের পরের দিনেও একবেলা অন্ন গ্রহণ করুন।  পুরাণ মতে, মহাদেবের ব্রত পালনরত ভক্তদের কষ্ট দূর করতে স্বয়ং মর্তে আর্বিভূত হন।

আরও পড়ুন- চৈত্র মাস কেমন প্রভাব ফেলবে তুলা রাশির উপর, দেখে নিন

এই মাসে বাড়ির কোনও অংশ ময়লা করে রাখবেন না। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন বাড়ির আনাচ-কানাচ। সেই সঙ্গে বাড়ির প্রধান দরজার সামনে সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই ঘর থেকে কেউ বাইরে যাওয়ার আগে দরজার সামনের অংশ জল দিয়ে ধুয়ে দিন। এই মাসের প্রতি সোমবার সকালে স্নান সেরে শিবলিঙ্গে জল ঢালুন। তিনটি নিঁখুত বেলপাতা ও বাতাসা দিলেই তুষ্ট হন মহাদেব। প্রদীপ জ্বালিয়ে এক মনে স্মরণ করুন মহাদেবের, আরাধনা করুন। মহাদেব সন্তুষ্ট হলে আপনার সকল মনোবাঞ্ছা পূরণ করবেন।

এই মাসে কোনও দুঃস্থ ব্যক্তি সাহায্য চাইলে তাকে ফেরাবেন না। সাধ্যমত দান করুন প্রয়োজনে তাঁকে সাহায্য করুন। মনে রাখবেন দান মানেই তা সব সময় আর্থিক দান হতে হবে তা নয়। আপনার যেমন সাধ্য সেই মতই দান করুন। শুধু মানুষ ক্ষুধার্ত পশু পাখিকেও অন্নদান করলে সমান পূণ্যলাভ হয়। পুরো চৈত্র মাস জুড়ে পালন করুন এই কয়েকটি নিয়ম জীবনের সমস্ত বাধা কাটিয়ে উঠতে পারবেন সহজেই।