জ্য়োতিষশাস্ত্র মতে, হাতের আঙ্গুলের মাঝের ফাঁক দেখেই সেই ব্যক্তি সম্বন্ধে ধারনা করা সম্ভব। জ্যোতিষ্ক বিষয়ক তথ্য, সূত্রাবলী ও ব্যবহারিক প্রয়োগের সামগ্রিক জ্ঞান জ্যোতিষশাস্ত্র নামে পরিচিত। এই শাস্ত্রের উৎপত্তিকালে জ্যোতিষশাস্ত্র এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান এক এবং অভিন্ন ছিল। পরবর্তিকালে জ্যোতিষশাস্ত্র জ্যোতিষ্কগুলির গতি এবং অবস্থানের ভিত্তিতে, প্রাকৃতিক এবং শারীরিক লক্ষণ অথবা দুয়ের সমন্বয়ে ব্যক্তি, সমষ্টি বা দেশের ভবিষ্যৎ নিরুপণের প্রায়োগিক দিকটি নিয়ে অভিজ্ঞতাভিত্তিক জ্ঞানের সংগ্রহ হিসেবে বিস্তার লাভ করে। 

আরও পড়ুন- প্রতি সোমবার মেনে চলুন এই নিয়মগুলি, কাটিয়ে উঠুন জীবনের জটিলতর সমস্যা

যেমন হাতের রেখা দেখে জ্যোতিষশাস্ত্র কোনও ব্যক্তির ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে অনুমান করতে পারে। ঠিক একই রকমভাবে জ্য়োতিষশাস্ত্র মতে মানুষের হাতের আঙ্গুলের ফাঁক দেখে ধারনা করা যায় কোন মানুষ কেমন। জেনে নিন কীভাবে। এর জন্য প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে কোন আঙ্গুলে কোন গ্রহের প্রভাব থাকে। কনিষ্ঠ বা কড়ে আঙ্গুলে থাকে বুধের প্রভাব। অনামিকা বা রিং ফিঙ্গারে থাকে সূর্যের প্রভাব। মধ্যমায় থাকে শনির প্রভাব। তর্জনীতে থাকে গুরুর প্রভাব। এতো গেল আঙ্গুলে গ্রহের প্রভাব এবার জেনে নেব কীভাবে আঙ্গুলে ফাঁক দেখে ব্যক্তির সম্বন্ধে জানা যায়।

আরও পড়ুন- আপনার কি তুলা লগ্ন, তবে আপনার মধ্যে রয়েছে এই বিশেষ গুণ

কোনও ব্যক্তির মধ্যমা ও অনামিকার মধ্যে দূরত্ব থাকলে সেই ব্যক্তি বেপরোয়া ও অসভ্য স্বভাবের হয়ে থাকেন। যদিও এই দুই আঙ্গুলের মধ্যে দূরত্ব খুব একটা দেখা যায় না।  এই দুই আঙ্গুলের মধ্যে দূরত্ব না থাকাটাই শুভ। কোনও ব্যক্তির আঙ্গুলে অনামিকা ও কড়ে আঙ্গুলের মধ্যে যদি বেশি দূরত্ব থাকে তবে তা শুভ বলে ধরা হয়। আর যদি কম দূরত্ব থাকে তবে সেই ব্যক্তি নিষ্ঠুর এবং বেশিরভাগ সময় ঝুট-ঝামেলায় জড়িয়ে থাকেন। কোনও ব্যক্তির তর্জনী ও মধ্যমার মধ্যে বেশি দূরত্ব থাকলে সেই ব্যক্তি স্বার্থপর হন। যদি কম ফাঁক থাকে, তাহল সেই ব্যক্তি নিজের কথা খুব সহজেই বলে ফেলেন কোনও চিন্তা ভাবনা করেন না। আর এই দুই আঙ্গুলের মধ্যে ফাঁক বেশ কম হলে সেই ব্যক্তি অন্তর্মুখী হন।