পান্না মধ্যম থেকে গাঢ় সবুজ রঙের সুন্দর রত্ন পাথর। ষড়ভূজাকৃতির কেলাস আকারে এটি পাওয়া যায়। বেশির ভাগ পান্নাই ঘোলাটে বর্ণের এবং খুঁতযুক্ত। নিখুঁত ও সুন্দর পান্না খুবই দামি রত্ন। একই ধরনের খনিজ পাথরের সাথে পান্নার পার্থক্য হলো শুধু পান্নাই অভ্র শিলাস্তরে বা চুনাপাথরে পাওয়া যায়। সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় কলম্বিয়ার মুজো এবং এল সিভর খনিতে। উরাল পর্বতমালার টকোভোয়া-তে আভ্রখনিতেও পাওয়া যায়। অবশ্য সেখানে তা বেরিলিয়ামের আকরিক ক্রিসোবেরিল ও ফেনাকাইটের সঙ্গে মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। 

আরও পড়ুন- কেন নগ্নরূপে পূজিত হন মা কালী, জেনে নিন এর পিছনে লুকিয়ে থাকা কারণ
 
জ্যোতিষশাস্ত্র মতে খাঁটি পান্না ধারণ করতে পারলে ভাগ্য বদলে দিতে পারে। অনেকে আবার অলঙ্কার হিসেবেও তা ব্যবহার করেন। রাশিচক্রে বুধের অবস্থান খারাপ হলে তাদের পান্না ধারণ করা উচিত। পান্না সাধারণত কলম্বিয়া এবং ব্রাজিলে পাওয়া যায়। কলম্বিয়া যে পান্না পাওয়া যায় তা সর্বশ্রেষ্ঠ। আরব্রাজিলীয় পান্না দেখতে কালচে বা ঘোলাটে সবুজ। পান্না ধারণ করার আগে কাঁচা দুধে চব্বিশ ঘন্টা পান্নাকে ডুবিয়ে রেখে বুধবার দিন ধারণ করলেই ফল মিলবে।

আরও পড়ুন- শনির দশা চলছে, এইদিনে তুষ্ট করুন দেবতাকে কাটিয়ে উঠুন দোষ

আরও পড়ুন- প্রতি মঙ্গলবার মেনে চলুন এই কয়েকটি নিয়ম, মিলবে সৌভাগ্য

রঙ ও ঔজ্জল্যের ভিড়ে আসল আর নকল রত্ন যাচাই করা খুব সমস্যার ব্যাপার।  তাই আপনার ধারণ করা রত্নটি খাঁটি কী না তা বুঝবেন কী করে? আপনি যদি রত্নবিশেষজ্ঞ বা জেমোলজিস্ট হন তবে সে ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। আর যদি তা না হন, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঠকতে হবে আপনাকে। তবে খুব সহজ কিছু পদ্ধতির মাধ্যমেই আপনার পান্না খাঁটি কিনা যাচাই করে নিতে পারবেন৷ যে সব পান্নার রং নিমপাতার মতো ও তাতে হলুদ আভা বা ঝলক দেখা যায়, সেই সব পান্না উত্কৃষ্ট মানের হয়। পান্নাকে জলে ফেলে রাখলে জলে সবুজ বর্ণের আলোর ছটা দেখতে পাওয়া যায়। সাদা কাপড়ের ওপর পান্না রেখে একটু উঁচুতে তুলে ধরলে সাদা কাপড়ে সবুজ আভা দেখা যায়।