সরস্বতী পুজোর পরে কাদের খুলবে সৌভাগ্যের দ্বার? বিদায় নেবে সমস্ত ঝামেলা ঝঞ্ঝাট

হিন্দু ধর্মে সরস্বতী পুজো বা বসন্তপঞ্চমীর গুরুত্ব অপরিসীম। দেবী সরস্বতী হলেন জ্ঞান, বিদ্যা, সংগীত, শিল্পকলা ও বুদ্ধির অধিষ্ঠাত্রী দেবী। ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে শিল্পী, লেখক, সঙ্গীতজ্ঞ— সকলেই এই দিনে মায়ের আশীর্বাদ কামনা করেন।

২০২৬ সালে সরস্বতী পুজো পালিত হবে বসন্তপঞ্চমী তিথিতে। এই দিনটিকে শিক্ষা ও সৃজনশীলতার নতুন সূচনার দিন হিসেবেও ধরা হয়। অনেকেই এদিন হাতেখড়ি দেন, নতুন বই পড়া শুরু করেন বা নতুন কোনও কাজের পরিকল্পনা করেন।

জ্যোতিষ মতে, প্রতি বছর গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থানের কারণে কিছু কিছু রাশির উপর দেবী সরস্বতীর কৃপা তুলনামূলক বেশি থাকে। ২০২৬ সালে এমন কয়েকটি রাশি রয়েছে যাদের উপর বিদ্যা, বুদ্ধি ও সাফল্যের বিশেষ প্রভাব পড়তে পারে।

মেষ রাশি

মেষ রাশির জাতকরা স্বভাবতই উদ্যমী ও সাহসী হন। ২০২৬ সালে এই রাশির মানুষের শেখার ক্ষমতা বাড়বে। পড়াশোনা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা কিংবা নতুন কোনও দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে ভালো ফল মিলতে পারে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও আরও শক্তিশালী হবে।

মিথুন রাশি

মিথুন রাশির মানুষ যোগাযোগে দক্ষ হন। এই বছরে তাঁদের বুদ্ধির বিকাশ ও ভাষাগত দক্ষতা আরও বাড়বে। লেখালেখি, মিডিয়া, শিক্ষা, গবেষণা বা ব্যবসার ক্ষেত্রে সাফল্যের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নতুন তথ্য দ্রুত আয়ত্ত করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

কন্যা রাশি

কন্যা রাশির জাতকরা পরিশ্রমী ও বিশ্লেষণী মনোভাবের হন। ২০২৬ সালে তাঁদের মনোযোগ ও একাগ্রতা বাড়বে। পড়াশোনা, চাকরি বা প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। যে কাজে নিখুঁততা প্রয়োজন, সেখানে এই রাশির মানুষ ভালো ফল পেতে পারেন।

ধনু রাশি

ধনু রাশির মানুষ জ্ঞানপিপাসু ও ভ্রমণপ্রিয় হন। এই বছরে তাঁদের নতুন বিষয়ে আগ্রহ বাড়বে। উচ্চশিক্ষা, বিদেশ সংক্রান্ত কাজ বা নতুন কোনও কোর্সে ভর্তি হওয়ার সুযোগ আসতে পারে। দেবী সরস্বতীর কৃপায় আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।

কুম্ভ রাশি

কুম্ভ রাশির জাতকরা সৃজনশীল ও আধুনিক চিন্তাধারার অধিকারী হন। ২০২৬ সালে তাঁদের নতুন ভাবনা বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হবে। প্রযুক্তি, গবেষণা, শিল্পকলা কিংবা স্টার্টআপের ক্ষেত্রে সাফল্য আসতে পারে। মানসিক স্বচ্ছতাও বৃদ্ধি পাবে।

সরস্বতী পুজোর দিনে কী করলে উপকার হয়

এই দিনে পরিষ্কার মনে দেবীর আরাধনা করা ভালো। বই, খাতা, কলম, বাদ্যযন্ত্র বা কাজের উপকরণ দেবীর সামনে রাখা যায়। পড়াশোনা বা নতুন কাজ শুরু করলে শুভ ফল পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস। অহংকার ও নেতিবাচক চিন্তা দূরে রেখে জ্ঞানচর্চায় মন দিলে দেবীর কৃপা সহজে পাওয়া যায়।