হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী রবিবার সূর্যদেবের দিন। এই দিনটি সূর্যের স্তব করে কাটানো উচিৎ। এই বিশেষ দিনটিতে হরির পুজো করা হয়। দুই  প্রধান দেবার পুজো করা হয় রবিবার।

হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী রবিবার সূর্যদেবের দিন। এই দিনটি সূর্যের স্তব করে কাটানো উচিৎ। এই বিশেষ দিনটিতে হরির পুজো করা হয়। দুই প্রধান দেবার পুজো করা হয় রবিবার।তাই এই দিন এমন কোনও কাজ করা উচিৎ নয় যাতে সূর্যদেব অপ্রসন্ন হন। একই সঙ্গে হরিকেও তুষ্ট রাখা জরুরি। তাই জ্যোতিষশান্ত্র মতে রবিবার এমন কতগুলি কাজ রয়েছে যেগুলি না করাই শ্রেয়। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কাজগুলি হলঃ 

নুন খাবেন না - 
জ্যোতিষ অনুসারে রবিবার নুন খাবেন না। বিশ্বাস করা হয় এই দিন নুন খেলে কাজে বাধা তৈরি হয়। সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যের ওপরেও কুপ্রভাব পড়ে। 

পশ্চিমদিকে ভ্রমণ করবেন না- 
রবিবার ছুটির দিন। অনেকেই বেড়াতে যান। কিন্তু এই দিনটি পশ্চিম দিকে ভ্রমণ করবেন না। যদি প্রয়োজন থাকে তাহলে পশ্চিম দিকে ভ্রমণ করতে পারেন। রবিবার বাড়ি থেকে বার হওয়ার আগে অবশ্যই কিছু খেয়ে বের হবেন। 

কালো কাপড় পরবেন না- 
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে রবিবার কখনই কালো পোশাক পরবেন না। নীল রঙও এড়িয়ে চলা শ্রেয়। রবিবার তামা বা সূর্যের সঙ্গে যুক্ত কোনও জিনিস বিক্রিও করবেন না। 

চুল কাটবেন না- 
রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় অনেকেই চুল কাটেন। কিন্তু জ্যোতিষ অনুসারে এই দিনটিতে চুল কাটা ঠিক নয়। রবিবার চুল কাটলে সূর্য গ্রহ দুর্বল হয়ে যায়। যা আপনাকে দরিদ্র করে দিতে পারে। 

আপনি নিশ্চিয় আপনার জীবনে সুখ আর সমৃদ্ধি চান। পাশাপাশি অর্থলাভ, ঋণমুক্তি আর প্রিয়জনের সঙ্গে দৃঢ়় সম্পর্ক অবশ্যই চান- আর সেগুলি পেতে হলে রবিবার অবশ্যই এই কাজগুলি করতে হবে। লক্ষ্মীপুজো অন্যান্য দিন যেমন করেন নিয়ম মেনে তেমনই করুন। তবে রবিবার দেবীকে ভোগ হিসেবে দিতে পারেন শুকনো নারকেলের বরফি। কোনও মন্দির বা ধর্মস্থানে গেলে অবশ্যই সুগন্ধি দান করতে পারেন সপ্তাহের শেষের দিনে। দীর্ঘ দিন ধরে রোগে ভুগছেন তাহলে আলু সেদ্ধ করে তার খোসা ছাড়িয়ে গরুকে খাওয়া পারেন। গোমাতার আশীর্বাদে উপকার পাবেন। বাড়ি থেকে কুদৃষ্টি বা কুনজর দূর করার জন্য একটি কর্পূর ও ছটি লবঙ্গ একসঙ্গে পুড়িয়ে ফেলুন। রবিবার অবশ্যই সূর্যদেবতার মন্ত্র ১০৮ বার জপ করুন। রবিবার ছুটির দিন - তাই এই কাজগুলি আপনি করতেই পারেন। এগুলির সঙ্গে জ্যোতিষ যোগ তেমন নেই। সবই প্রচলিত প্রথা বা রীতি নীতি। তবে সবথেকে বড় কথা হল আস্থা।