৫ জুন শুক্রবার দশকের দ্বিতীয় চন্দ্র গ্রহণ। এই চন্দ্রগ্রহণ হবে উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ। সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ অসম্পূর্ণভাবে একত্রিত হয় তখন এই উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ ঘটে। বছরের বা এই শতাব্দীর প্রথম চন্দ্রগ্রহণ হয়েছিল জানুয়ারি মাসে। জ্যোতিশশাস্ত্র মতে, চন্দ্রগ্রহণের সঙ্গে মানব শরীরের একটি অদ্ভুদ যোগাযোগ রয়েছে। কারণ গ্রহণের প্রভাব মানব শরীরের ওপর পড়ে। তাই চন্দ্রগ্রহণের সময় একেবারেই করা উচিৎ নয়।

গ্রহণের সময় যা করতে পারেন-

পূর্ণিমা যোগ শুরু হলে মা লক্ষ্মী ও ভগবান বিষ্ণুর পূজা করা উচিত। কাঁচা হলুদ, আতপ চাল, পঞ্চমৃত এই পুজোর আয়োজনে অবশ্যই রাখুন। জলশঙ্খ নিয়ে অভিষেক করুন ঈশ্বরের। দুধে জাফরান যোগ করুন এবং তারপরে শঙ্খের মধ্যে এই দুধটি ঢেলেও অভিষেক করতে পারেন। মহালক্ষ্মীকে কাঁচা হলুদ, পান, সুপুরি, আতর, গোলাপ দিয়ে অর্ঘ্য দান করে পুজো করতে পারেন।

গ্রহণের সময় যা করা উচিৎ নয়-

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, গ্রহণের সময়ে গর্ভবতী মহিলাদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এর কারণ, গ্রহণ চলাকালীন পরিবেশে ক্ষতিকারক কিছু তরঙ্গ সক্রিয় হয়ে ওঠে, যার প্রভাবে গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি হতে পারে। গ্রহণের সময়ে শারিরীকভাবে মিলিত হওয়া উচিত নয়। শাস্ত্রে বলা আছে, গ্রহণের সময়ে মিলনের ফলে যে সন্তান পৃথিবীতে আসবে, তার চারিত্রিক দোষ থাকে। শাস্ত্র মতে, গ্রহণের দিন সন্ধের পরে শরীরে তেল মালিশ করা একেবারেই উচিত নয়। এমনটা করলে ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। রান্না নিয়েও গ্রহণের সময়ে বিশেষ সতর্কতা পালন করা উচিত। মনে করা হয়, গ্রহণের আগে রান্না করা পদ গ্রহণের পরে খাওয়া উচিত নয়। গ্রহণের সময়ে চাঁদের দিকে খালি চোখে না তাকানোই ভাল। এতে চোখের ক্ষতি হতে পারে।