প্রাচীনকালে তামার অনেক খনির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, এই ধাতুই আপনার বহু সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। সূর্যের মহাদশা বা রবির স্থান উন্নত করতে এই তামার আংটি ধারণ করার পরামর্শ দেন জ্যোতিষীরা। মনে করা হয় এই আংটি ধারণ করলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে শরীরে ও মনে। ফলে যে কোনও ক্ষেত্রেও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়

আরও পড়ুন- দুর্গাপুজোয় সমৃদ্ধি লাভে অবিশ্বাস্য ফল পেতে, কাজে লাগান ঘরে থাকা গঙ্গাজল

 মনে করা হয় এই আংটি ধারণ করলে কর্মক্ষেত্রে বাঁধা কাটিয়ে ওঠা যায় সহজেই। এমনকি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে এই ধাতুর সাহায্যে তা সমাধান করা বশে আনা সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, একইসঙ্গে বিভিন্ন সংক্রমক থেকেও রক্ষা করে তামার আংটি।  রাগ বা ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এই ধাতু। তবে এতগুলো সুফল পেতে আপনাকে বেছে নিতে হবে খাঁটি তামার আংটি। 

বিশুদ্ধ তামা খুব বেশি নরম ও নিজস্ব উজ্জ্বল বর্ণের হয় কিন্তু আবহাওয়ার সংস্পর্শে এর বাইরে একটি লালচে-কমলা বিবর্ণ স্তর তৈরী হয়। তামা ও তামার বহু মিশ্র ধাতু কয়েক হাজার বছর ধরে মানুষের নিত্য সঙ্গী। তামা, ইংরাজি নাম কপার, এর রাসায়নিক মৌল এর পারমাণবিক ক্রমাঙ্ক ২৯। তামা একটি নমনীয় ধাতু এবং এর তাপীয় ও বৈদ্যুতিক পরিবহন ক্ষমতা খুব উন্নত তাই অনেক তড়িৎবাহী তারের মধ্যেই তামার তার থাকে।