আষাঢ় মাসের পূর্ণিমাতেই গুরুপূর্ণিমা পালন করা হয়। আজকের দিনে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়ে থাকে। আজকের দিনটিকে সর্বতভাবে একটি শুভ দিন বলে মনে করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি বৌদ্ধরাও এই দিনটিকে মহা সাড়ম্বরের সঙ্গে উদযাপন করেন। এবার ভারতে ১৬ জুলাই গুরুপূর্ণিমা পালিত হবে। 

গুরুপূর্ণিমাকে ব্যাস পূর্ণিমাও বলা হয়ে থাকে। কারণ মনে করা আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিতেই নাকি জন্ম নিয়েছিলেন ব্যাসদেব। তাই অনেকেকের কাছে ব্যসদেব-এর জন্মতিথি হিসসাবেও গুরুপূর্ণিমা পালন করা হয়। তবে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মতে, এই গুরুপূর্ণিমার বিশেষ তিথিতেই গৌতম বুদ্ধ ধর্ম নিয়ে উপদেশটি দিয়েছিলেন।

প্রসঙ্গত এই গুরু শব্দেরও কিন্তু একটা অন্তর্নিহিত অর্থ রয়েছে। 'গু'-কথার অর্থ অন্ধকার এবং 'রু' কথার অর্থ অন্ধকার দূরীভুত করা। আর সেই কারণেই একজন মানুষের জীবনে গুরুর অবদান সবথেকে বেশি। বলা হয় একজন গুরুই পারেন  তাঁর শিষ্যের জীবন থেকে যাবতীয় অন্ধকার দূর করে দিতে পারেন। নেপালে আজকের দিনটি বিশেষ আঢ়ম্বরে পালিত হয়ে থাকে কারণ নেপালে আজকের দিনটি শিক্ষক দিবস হিসাবে পালিত হয়। এই দিন সেখানে সকলে তাঁদের গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। 

গুরুপুর্ণিমার দিন যে কাজগুলি করলে সংসার জীবনে পাবেন শান্তি, খুলে যাবে অর্থভাগ্য

পাশাপাশি গুরুপূর্ণিমা নিয়ে প্রচলিত আর একটা মতে বলা হয় যে, ভগবান শিব এই তিথিতেই প্রথম জ্ঞান প্রদান করেছিলেন। আর সেখান থেকেই গুরু প্রথাল সৃষ্টি হয়ে। ভগবান শিবকেও তাই আদি গুরু হিসাবে মনে করা হয়। গুরুর বচনকে পাথেয় করেই জীবনে এগিয়ে চলাই সকলের জীবনের মূল লক্ষ্য। তাই শাস্ত্রেও আজকের দিনটির বিশেষ মাহাত্ম্য অনেক বেশি।