শনির অশুভ প্রভাব যেমন সাড়ে সাতি বা ঢাইয়া থেকে মুক্তি পেতে জুতো দান করা একটি কার্যকরী প্রতিকার। বিশেষ করে অভাবী বা কুষ্ঠ রোগীদের কালো জুতো দান করলে শনিদেব প্রসন্ন হন এবং তাঁর কৃপা বজায় রাখেন, যা বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

হিন্দুধর্মে দানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কিছু বিশেষ জিনিস দান করলে গ্রহ সম্পর্কিত শুভ ফল পাওয়া যায়। জ্যোতিষশাস্ত্রে ইচ্ছা পূরণের জন্য দান সম্পর্কিত অনেক প্রতিকারও বলা হয়েছে। কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে, পোশাক, জুতো-চপ্পল ইত্যাদিও দান করা উচিত। এতেও শুভ ফল পাওয়া সম্ভব। উজ্জয়িনীর জ্যোতিষী পণ্ডিত নলিন শর্মার কাছ থেকে জেনে নিন কখন এবং কাকে জুতো দান করা উচিত? এর উপকারিতাই বা কী…

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কখন জুতো দান করা উচিত?

জ্যোতিষী পণ্ডিত শর্মার মতে, যখন কোনও ব্যক্তির উপর শনির অশুভ প্রভাব থাকে, অর্থাৎ তার রাশিতে ঢাইয়া এবং সাড়ে সাতির প্রভাব থাকে, তখন সমস্যা এড়াতে জুতো দান করা উচিত। এটি করলে শনির অশুভ প্রভাব কিছুটা কমতে পারে এবং সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়া, বাড়িতে কারও মৃত্যু হলে তার উত্তরকর্ম করার সময় ব্রাহ্মণকে জুতো দান করারও বিধান রয়েছে।

জুতো কাকে দান করবেন?

আপনি যদি শনির অশুভ ফল থেকে বাঁচতে জুতো-চপ্পল দান করতে চান, তবে এই দান বিশেষ করে কুষ্ঠ রোগীদের করা উচিত। খেয়াল রাখবেন জুতো-চপ্পলের রঙ যেন কালো হয়। যদি কুষ্ঠ রোগী না পাওয়া যায়, তবে অন্য কোনও অভাবী ব্যক্তিকেও জুতো দান করা যেতে পারে। তবে মনে রাখবেন, যার প্রয়োজন নেই, তাকে জুতো দান করবেন না। এতে কোনো শুভ ফল পাওয়া যায় না।

জুতো দান করার উপকারিতা কী?

জ্যোতিষী পণ্ডিত শর্মার মতে, লাল কিতাবে জুতো দানের বিশেষ গুরুত্ব বলা হয়েছে কারণ শনির প্রভাব ব্যক্তির পায়ে সবচেয়ে বেশি বলে মনে করা হয়। যখন কোনও ব্যক্তির উপর শনির খারাপ প্রভাব পড়ে, তখন তার পা সম্পর্কিত সমস্যা বা রোগ হয়। এমন পরিস্থিতিতে, যখন আপনি কোনও অভাবী ব্যক্তিকে জুতো দান করেন, তখন শনিদেব প্রসন্ন হন এবং তাঁর কৃপা বজায় রাখেন।