কেতুর গোচরে মহা পরিবর্তন! একেবারে বদলে যেতে চলেছে এই ৩ রাশির জীবন

২৫ জানুয়ারি ২০২৬ রবিবার কেতু ছায়া গ্রহ পূর্ব ফাল্গুনি নক্ষত্রের দ্বিতীয় পদে প্রবেশ করবে এবং ২৯ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত এই নক্ষত্রেই অবস্থান করবে। জ্যোতিষশাস্ত্রে কেতুকে বিচ্ছেদ, আধ্যাত্মিকতা ও অতীত-কার্মিক শক্তির প্রতিনিধিত্বকারী গ্রহ হিসেবে ধরা হয়, আর পূর্ব ফাল্গুনি নক্ষত্রকে সৌন্দর্য, সুখ, সৃজনশীলতা ও আরামের নক্ষত্র বলা হয়। এই বিরল সংমিশ্রণ কিছু রাশিফলের জীবনে বিশেষ শুভ সময় এনে দিতে পারে।

কেতু সাধারণত বিচ্ছেদ, মনোযোগের অভাব এবং আত্ম-অনুপ্রবেশের সময় নির্দেশ করে। আর পূর্ব ফাল্গুনি নক্ষত্রের সরকারী গ্রহ হলো শুক্র — প্রেম, সৌন্দর্য, আর্থিক সুবিধা ও আনন্দের প্রতিনিধি। যখন কেতু এখানে যায়, তখন এটি পুরনো সম্পর্ক, পুরনো ধারণা বা বদ্ধসূত্রতা থেকে মুক্তি এনে নতুন সুযোগগুলোর জন্য জায়গা তৈরি করতে পারে, বিশেষত সৃজনশীল কাজ, সম্পর্ক, এবং অর্থ-সম্পর্কিত ক্ষেত্রে।

কোন ৩ রাশির জন্য বিশেষ শুভ ফল?

এই কেতু গোচর ২০২৬ সালের শুরু থেকে মার্চ পর্যন্ত ধন, সুযোগ ও উন্নতির সম্ভাবনা বাড়াবে নিচের তিন রাশির জন্য —

১) মেষ (Aries / মেষ রাশি)

মেষ রাশির জাতকদের জন্য এই সময় ধন-সম্পর্কিত সুযোগ, কর্মসংস্থান ও ব্যবসার উন্নতি আসতে পারে। পূর্বে অপরিণত বা স্থগিত কাজগুলো এগিয়ে যাবে, পড়াশোনা বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসতে পারে। বেকাররা চাকরি পেতে পারে।

২) কন্যা (Virgo / কন্যা রাশি)

কন্যা রাশির জাতকরা এই সময় আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং মানসিক চাপ মুক্তি পেতে পারেন। সৃজনশীল কাজ, শিল্প, বিজ্ঞান বা আধ্যাত্মিক কাজে স্বীকৃতি ও সফলতা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

৩) ধনু (Sagittarius / ধনু রাশি)

ধনু রাশির জন্য আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে এবং নতুন আয়-উপায়, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির সুযোগ আসতে পারে। বড় কোনো সাফল্য বা সম্মান অর্জনের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

কেতুর প্রভাব: শুধু অর্থ নয়, আরও বেশি কিছু । কেতুর গোচর শুধুই অর্থ-সম্পর্কিত ফলই দেয় না — এটি মানুষের মনোযোগ, সম্পর্ক, ব্যক্তিত্ব ও উদ্দেশ্যের পরিবর্তনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কিছু সাধারণ জ্যোতিষীয় ধ্যান থেকে জানা যায়:

আধ্যাত্মিক উন্নতি ও অন্তর্দৃষ্টি: এই সময় অনেকে নিজ-অভ্যন্তরীণ উত্তর খোঁজে এবং স্থায়ী মানে-উদ্দেশ্য তৈরিতে আগ্রহী হয়।

সম্পর্কে বদল: সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেতে পারে বা পুরনো সম্পর্ক থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

সৃজনশীল ও অন্তর্নিহিত শক্তি: শিল্প, সঙ্গীত বা দর্শনের মতো সৃজনশীল ক্ষেত্রগুলোতে নতুন অনুপ্রেরণা আসতে পারে।