শরতের মেঘলা আকাশ, শিউলি ফউলের গন্ধ। জানন দিচ্ছে "মা" আসছে। সেই মত শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোর প্রস্তুতি পর্বও। যার সূচনা হয় এই গণেশ পুজো থেকে। সারা দেশ জুড়ে মহা ধুমধামের সঙ্গে পালিত হয় পার্বতী নন্দন গণেশের পুজো। হিন্দু পুরাণ মতে, ভক্তদের মনবাঞ্ছা পূরণ করতেই শিব-পার্বতী পুত্র মর্তে অবর্তীণ হয়েছিলেন। শুধুমাত্র দেশেই নয় দেশের বাইরেও এই উৎসব ততটাই জনপ্রিয়। নেপালে এই উৎসবের নাম চথা। গণেশ চতুর্থীর এই উৎসব বিভিন্ন নামে পরিচিত যেমন, বিনায়ক চতুর্থী, বিনায়ক চবিথি ইত্যাদি।
হিন্দু পঞ্জিকা মতে ভাদ্র মাসের শুক্লা চতুর্থীতে এই পুজো হয়ে থাকে। দুর্গাপুজোর মতোই দশদিন ধরে হয়ে থাকে এই পুজো। মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, কলকাতা, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ সহ আরও বিভিন্ন রাজ্যে এই ধুমধামের সঙ্গে এই পুজো হয়ে থাকে। 
২০১৯ সালে ২ সেপ্টেম্বর, ১৫ ভাদ্র ১৪২৬ সোমবার থেকে সারাদেশ জুড়ে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী উৎসব। সে দিন থেকে শুরু করে এই উৎসব চলবে ১২ সেপ্টেম্বর, ২৫ ভাদ্র ১৪২৬ বৃহস্পতিবার অবধি।

আরও পড়ুন- কেমন হয় বৃষ রাশির ব্যক্তিদের কর্মজীবন
গণেশ শব্দটির উৎপত্তি দুটি সংস্কৃত শব্দ থেকে। 'গণ' ও 'ঈশ'এই দুটি শব্দের সমন্বয়ে সৃষ্টি হয়ে গণেশ শব্দটি। গনপতির প্রথম উল্লেখ পাওয়া গিয়েছিল প্রচীন হিন্দুধর্ম গ্রন্থ ঋগ্বেদে। বেদ অনুযায়ী, সিদ্ধিদাতার আশীর্বাদ ছাড়া কোনও ধর্মীয় সিদ্ধি সম্ভব নয়। তাই যে কোনও পুজোর আগেই গণেশ পুজো করা হয়। মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনী, রাজস্থানের যোধপুর ও নাগপুর, বিহারের বৈদ্যনাথ, উত্তরপ্রদেশের বারাণসীর ধূণ্ডিরাজ এমনই সারা দেশ জুড়ে এমনকি দেশের বাইরেও নেপাল সহ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার নানান দেশে সিদ্ধিদাতা গণেশ মন্দিরের দেখা মেলে।