দেবীপক্ষ শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে এবং দেবী শক্তির আরাধনা চলবে ১০ দিন। দেশজুড়ে মহা সমারোহে এই উৎসব পালিত হয়। এই বছর মহামারী প্রকোপের কারণে পুজোর জৌলুসে সব জায়গায় ভাটা পড়েছে। দেবীপক্ষে মাতৃশক্তির সহায়তায়, লোকেরা তাদের পরিবার এবং পরিবারের অনুগ্রহ বজায় রাখার জন্য মায়ের আরাধনা করেন। মাকে আগামী বছরে আবারও আসার অনুরোধ জানায়। এই দেবী পক্ষের অন্যতম একটি রীতি হল কুমারী পুজো। এই সময়ে কুমারী পুজো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচিত হয়। 

সপ্তমী তিথির শেষে এই কুমারী পুজো শুরু হয়। সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমীর দিন মেয়েদের নয়টি দেবীর রূপ হিসাবে পুজো করা হয়। মেয়েদের পা ধুয়ে তাদের মা দুর্গার সমান দেওয়া হয়। এটা বিশ্বাস করা হয় যে মা সেই ভক্তদের আশীর্বাদ করেন যারা সুখ এবং মন দিয়ে এই কুমারী পুজো করেন।

কুমারী পুজোর তাৎপর্য

সকল শুভ কর্মের ফল পেতে কুমারী পুজো করা হয়। কুমারী পূজন সম্মান, লক্ষ্মী, বিদ্যা এবং তেজ নিয়ে আসে। এটি শত্রুদের ধ্বংস, ভয়ের ধ্বংসের কারণও হয়। দেবী যতটা কুমারী পুজোয় সন্তুষ্ট হন, ততটা জপ ও তপে সন্তুষ্ট হন না।

আরও পড়ুন- দেবীপক্ষে নবদুর্গা, জেনে নিন ৯ দিনে মা দুর্গার ৯ টি রূপের পুজো ও তার গুরুত্ব

এই দিনে ভক্তরা নয়টি মেয়েকে নয় জন দেবী হিসাবে পুজো করার পরে উপোস ভঙ্গ করেন। তাঁদের সামর্থ্য অনুযায়ী দক্ষিণা অর্পণ করেন। এতেই মা খুশি হন। দুই থেকে ১১ বছরের ৯ জন বাচ্চা মেয়েকে কুমারী পুজো করা যায়। প্রকৃতপক্ষে, দুই বছরের কুমারী, তিন বছর বয়সী ত্রিমূর্তি, চার বছর বয়সী কল্যাণী, পাঁচ বছর বয়সী রোহিনী, ছয় বছরের কিশোরী, সাত বছরের চণ্ডিকা, আট বছরের শম্ভবী, নয় বছরের দুর্গা এবং দশ বছরের কন্যাকে সুভদ্রা বলা হয়।