আর্থিক স্বচ্ছলতা থাকা  সত্ত্বেও অনেকেই মানসিক শান্তি পান না। তবে কেন এমন হয়, উত্তর মেলেনা অনেক সময়।অনেকে আবার মন খারাপ হলে ঘর সাজান,পরিস্কার করেন ঘরের সব প্রান্ত।তারপর কিছুটা স্বস্তি মিললেও মুহূর্তেই তা হারিয়েও যায়।তবে এই ঘর সাঝানোটাই যদি আপনি বাস্তুর নিয়ম মেনে করেন, তাহলে দেখবেন আপানার সব অসুবিধা নিমেশে উধাউ। তাহলে চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক,  বাস্তুর নিয়ম গুলি।

আরও পড়ুন, কেমন কাটবে এই সপ্তাহ, দেখে নিন সপ্তাহের রাশিফল

 কর্মক্ষেত্র সবসময় উত্তর, উত্তর-পূর্ব কিংবা উত্তর-পশ্চিম দিক বরাবর হওয়া উচিত।এতেই  পজিটিভ এনার্জি এর প্রবেশ করবে।   বাস্তুতন্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী প্রধান দরজা সব সময় উত্তর অথবা পূর্ব দিকে হওয়া উচিত। প্রধান দরজার সামনে এমন কিছু রাখবেন না, যেটা ঢোকার সময় বাধার সৃষ্টি করে। ঘরের ঠিক মাঝখান বা সেন্ট্রাল পয়েন্ট এর জায়গা টি পুরোপুরি ফাঁকা রাখুন।  প্রধানের সিটের উল্টো পাশে কখনই কোনও ঠাকুর বা মন্দির বানাবেন না।  সমস্ত কর্মচারীদের বসানোও  উচিত উত্তর বা পূর্ব দিকে মুখ করিয়ে। এছাড়া তাদের ডেস্ক বা কাজ করার টেবিল বর্গক্ষেত্র বা আয়তক্ষেত্র আকারের হওয়া উচিত।  আলোচনার ঘর বা কনফারেন্স রুম উত্তর-পশিম দিকে রাখা উচিত। বাস্তুতন্ত্র অনুযায়ী রঙিন মাছ খুব শুভ শক্তির প্রতীক। তাই অফিসে  রঙিন মাছ রাখলে খুব ভালো হয়। তবে অবশ্যই ৯ টি গোল্ড ফিস ও ১ টি ব্ল্যাক ফিস রাখুন,উত্তরপূর্ব দিক মুখ করে। 

আরও জানুন, ২০২০ সালে ধনু রাশির কর্মজীবন কেমন থাকবে, জেনে নিন

 ড্রয়িংরুম হওয়া উচিত পূর্ব দিক বা উত্তর দিক মুখ করে।তাহলে ভোরবেলা সূর্য-রশ্মির পজিটিভ এনার্জি ঘরে প্রবেশ করবে। ড্রয়িংরুমের দরজা পূর্ব অথবা পশ্চিম দিকে হলে ভাল হয়।তাতেই আপনার পরিবার ভাল থাকবে। যখন ড্রয়িংরুমে বসে কোনও কিছু খাওয়াদাওয়া করেন,তখন দক্ষিণ পূর্ব দিকে প্লেট রেখে খাওয়া উচিত। কখনোই যেনও আপনার ড্রয়িংরুম ৪ টির বেশী দিক না নিয়ে তৈরি হয়। আপনার ড্রয়িংরুমে টিভি টা বসান দক্ষিণপূর্ব দিক বরাবর।এছাড়াও এই ঘরে যত ইলেক্ট্রিক্যাল গেজেটস আছে দক্ষিণপূর্ব দিকেই মুখ করে রাখুন।কারন এই দিকটা অগ্নিকোণ। ড্রয়িংরুমের রঙ সবসময়ই হালকা হলে ভাল হয়। সাদা,হলুদ কিংবা হালকা সবুজ বেশী কার্যকরী।  আপনার ঘরে যদি ফায়ার প্লেস বানান, তাহলে সেটা  দক্ষিণ পূর্ব মুখ করে রাখুন। আপনাকে ড্রয়িংরুমের ফার্নিচারের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। চেষ্টা করবেন,ফার্নিচারের আকার যেনও  বর্গক্ষেত্র বা আয়তক্ষেত্র মাপের হয়। আশা করা যায়, বাস্তুর এই নিয়ম গুলি মেনে চললে আপনার জীবন আরও সুন্দর হয়ে উঠবে।