পশ্চিমে, জ্যোতিষশাস্ত্র প্রায়ই একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের ব্যাখ্যা করার জন্য এবং তার জন্মের সময় সূর্য, চন্দ্র, এবং অন্যান্য জ্যোতিষ্কগুলির অবস্থানের উপর ভিত্তি করে তার জীবনের ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য ব্যবহৃত হত। অনেক সংস্কৃতির মধ্যেই জ্যোতির্বিজ্ঞানের ঘটনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতীয়, চীনা ও মায়া সভ্যতার অধিবাসীগণ মহাকাশ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পার্থিব ঘটনাগুলির ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য এই বিষয়ের চর্চা এবং উন্নয়ন সাধন করেছিলেন। জ্যোতিষশাস্ত্র অতি প্রাচীন এবং এটি বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন সভ্যতার মানবগোষ্ঠির দ্বারা চর্চিত, পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত হয়েছে। তাই কোন একটি বিশেষ সময়কে জ্যোতিষশাস্ত্রের সৃষ্টিকাল হিসেবে চিহ্নিত করা যুক্তিযুক্ত নয়।

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, বৃহস্পতিবার কিছু নিয়ম মেনে চললে, এড়ানো যায় অর্থিক সমস্যা। গুরু গ্রহ বৃহস্পতি গ্রহের নাম অনুসারে এই বারের নাম রাখা হয়েছে বৃহস্পতি। বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীদেবীর বার আর ধন সম্পদ বৃদ্ধির  জন্যও এই দেবীর আরাধনা করা হয়। তাই বৃহস্পতিবারে যদি কিছু নিয়ম মেনে এই দেবীর আরাধনা করা যায়, তাহলে সংসারে লক্ষীশ্রী বজায় থাকে এবং সুখ সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে।অর্থ ভাগ্য উন্নতি করতে বৃহস্পতিবারে যদি কোনও বাস্তুভিটে বা বাড়িতে এই নিয়ম পালন করা হয় তবে আর্থিক দিকে থেকে উন্নতি ঘটে সংসারের।  জেনে নেওয়া যাক কীভাবে মা লক্ষ্মী আরাধনা করবেন বৃহস্পতিবারে।

পুজোর স্থান পরিস্কার করে নিন।

বাড়িতে যদি লক্ষ্মীর মূর্তি থাকে তবে তাতেই পুজো করতে পারেন।

লক্ষ্মীর মূর্তি না থাকলে ঘট প্রতিস্থাপন করে তাতে পুজো করুন।

পিতল বা মাটির ঘটে গঙ্গাজল ভরে ঘটের গায়ে সিঁদুর দিয়ে স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে নিন।

ধূপ ধুনো জ্বালিয়ে নিন। সারা বাড়িতে পুজোর ধূপ ধুনো দেখিয়ে তারপর বন্ধ করুন।

এতে বাস্তু থেকে নেগেটিভ এনার্জি দূর হয়।

ঘটের উপরে আমপল্লব নিয়ে একটি হরতকি রাখুন। প্রতিটি আমের পাতায় সিঁদুরের ফোঁটা দিয়ে দিন।  

পুজোয় ফল বা মিষ্টি দিয়ে নৈবেদ্য সাজিয়ে নিয়ে নিন।  লক্ষ্মীর পাঁচালি পরে পুজো শেষ করুন।