Valentines Day: এই ভ্যালেন্টাইন্স ডে-তে সঙ্গীর সঙ্গে চরম ঝামেলা হতে পারে এই রাশির জাতক-জাতিকার! হতে পারে বিচ্ছেদও?
ভ্যালেন্টাইন্স ডে মানেই গোলাপ, উপহার, ক্যান্ডেল লাইট ডিনার আর ভালোবাসার প্রকাশ। কিন্তু জ্যোতিষ বলছে, এ বছরের প্রেম দিবসে কিছু রাশির জাতক-জাতিকাদের জীবনে দেখা দিতে পারে মতবিরোধ, ভুল বোঝাবুঝি এমনকি বড়সড় ঝামেলাও। গ্রহের অবস্থানের কারণে আবেগের তারতম্য হতে পারে, যার প্রভাব পড়বে ব্যক্তিগত সম্পর্কে। দেখে নেওয়া যাক, কোন চার রাশির ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন জ্যোতিষীরা।
মেষ মেষ রাশির জাতক-জাতিকারা স্বভাবতই আত্মপ্রত্যয়ী ও স্পষ্টভাষী। তবে এই স্বভাবই কখনও কখনও সম্পর্কে সমস্যা তৈরি করে। ভ্যালেন্টাইন্স ডে-তে প্রত্যাশা পূরণ না হলে বা পরিকল্পনা মতো কিছু না ঘটলে উত্তেজনা বেড়ে যেতে পারে। সামান্য কথাকাটাকাটিও বড় আকার নিতে পারে।
কর্কট অত্যন্ত আবেগপ্রবণ কর্কট রাশির মানুষরা সঙ্গীর কাছ থেকে বিশেষ যত্ন ও মনোযোগ আশা করেন। যদি সেই প্রত্যাশায় ঘাটতি থাকে, তাহলে মনখারাপ থেকে শুরু হতে পারে অভিমান। আর সেই অভিমান জমতে জমতে বড়সড় ঝগড়ায় রূপ নিতে পারে।
বৃশ্চিক বৃশ্চিক রাশির জাতকদের মধ্যে অধিকারবোধ প্রবল। সঙ্গীর আচরণে সামান্য পরিবর্তন বা অন্য কারও প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগ তাঁদের মনে সন্দেহ তৈরি করতে পারে। ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র মতো সংবেদনশীল দিনে সেই সন্দেহ তীব্র বাকবিতণ্ডার কারণ হতে পারে।
মকর বাস্তববাদী ও কর্মমুখী মকর রাশির মানুষরা অতিরিক্ত আবেগপ্রবণতা পছন্দ করেন না। সঙ্গীর রোম্যান্টিক প্রত্যাশা আর তাঁদের বাস্তব চিন্তার মধ্যে দূরত্ব তৈরি হলে মতবিরোধ দেখা দিতে পারে। বিশেষ দিনে আবেগের ঘাটতি সঙ্গীর মনেও আঘাত দিতে পারে। কীভাবে সামলাবেন পরিস্থিতি? বিশেষ দিনে ঝগড়া এড়াতে খোলামেলা কথা বলা জরুরি। প্রত্যাশা নিয়ে আগেভাগে আলোচনা করলে ভুল বোঝাবুঝির সম্ভাবনা কমে। মনে রাখতে হবে, ভালোবাসার মূল ভিত্তি সম্মান ও বোঝাপড়া। জ্যোতিষের ইঙ্গিত সতর্কবার্তা হতে পারে, কিন্তু সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে দুই জনের পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহমর্মিতার উপরই। তাই প্রেম দিবসে রাগ নয়, বেছে নিন সংলাপ।
