চন্দ্র মনের কারক হওয়ায় এর প্রভাব আমাদের জীবনে অপরিসীম। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, মুক্তো ধারণ করলে মানসিক শান্তি আসে এবং নির্দিষ্ট কিছু রাশির জাতকদের ভাগ্য উজ্জ্বল হয়। কীভাবে আসল-নকল চিনবেন এবং পরার নিয়মাবলী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

চন্দ্র আকারে সবচেয়ে ছোট গ্রহ হতে পারে, কিন্তু আমাদের জীবনে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। কারণ, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে রয়েছে এবং খুব দ্রুত রাশি পরিবর্তন করে। চন্দ্রকে মনের কারকও বলা হয়, অর্থাৎ আমাদের চিন্তাভাবনা পুরোপুরি চন্দ্র দ্বারা প্রভাবিত হয়। চন্দ্র অশুভ ফল দিলে জ্যোতিষীরা মুক্তো পরার পরামর্শ দেন। মুক্তো পরলে অনেক মানসিক সমস্যাও দূর হয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক, মুক্তো কাদের পরা উচিত, কীভাবে পরবেন এবং আসল-নকলই বা চিনবেন কী করে।

কারা পরবেন মুক্তো, আর কাদের পরা উচিত নয়?

মুক্তোকে ইংরেজিতে পার্ল (Pearl) বলা হয়। জ্যোতিষীদের মতে, মেষ, কর্কট, বৃশ্চিক এবং মীন রাশির জাতকদের জন্য এটি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এটি পরলে তাঁদের ভাগ্য উজ্জ্বল হতে পারে। অন্যদিকে, বৃষ, মিথুন, কন্যা, মকর এবং কুম্ভ রাশির জাতকদের মুক্তো পরা এড়িয়ে চলা উচিত। এমনটা করলে তাঁদের জীবনে সমস্যা বাড়তে পারে। যাঁরা স্বভাবগতভাবে খুব রাগী, তাঁদেরও মুক্তো পরার পরামর্শ দেওয়া হয়।

আসল ও নকল মুক্তো চিনবেন কীভাবে?

১. আসল মুক্তো হাতে নিলে ঠান্ডা লাগে এবং ওজনে ভারী হয়, কিন্তু নকল মুক্তোর ক্ষেত্রে এমনটা হয় না।

২. আসল মুক্তো আগুনে রাখলেও পুড়ে যায় না, কিন্তু নকল মুক্তো গলে যায়।

৩. প্রাকৃতিক মুক্তো একেবারে নিখুঁত গোল হয় না, তাতে সামান্য অসামঞ্জস্য থাকে। কিন্তু নকল মুক্তো দেখতে একদম গোল হয়।

এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন

১. মুক্তোর প্রভাব সাধারণত ২ থেকে ৩ বছর পর্যন্ত থাকে। এরপর এটি বদলে ফেলা উচিত।

২. জ্যোতিষীর পরামর্শ ছাড়া মুক্তো পরা একেবারেই উচিত নয়।

৩. নীলা বা গোমেদের সঙ্গে মুক্তো কখনও পরা উচিত নয়। নাহলে অশুভ ফল পাওয়া যায়।

৪. মুক্তো অন্তত ৫ রতির হওয়া উচিত।

Disclaimer

এই প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ, বিশেষজ্ঞ এবং জ্যোতিষীদের থেকে নেওয়া হয়েছে। আমরা শুধু এই তথ্য আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি মাধ্যম। পাঠকরা এই বিষয়টিকে শুধুমাত্র তথ্য হিসেবেই গ্রহণ করবেন।