সৌরজগতের প্রথম এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ। এটি সূর্যের সর্বাপেক্ষা নিকটতম গ্রহ। এর কোনও উপগ্রহ নাই। এটি সূর্যকে প্রতি ৮৮ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে। ভৌত বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে বুধ অনেকটা চাঁদের মতো কারণ চাঁদের মতো এই গ্রহেও রয়েছে প্রচুর খাদ। গ্রহটির কোনও স্থিতিশীল বায়ুমণ্ডল নেই, নেই কোনও প্রাকৃতিক উপগ্রহ। এই গ্রহের নামকরণ হয়েছিল পুরাণ অনুসারে দেবতাদের বার্তাবাহকের নামে। প্রাচীন গ্রিকরা এর দুইটি নাম দেয়।

আরও পড়ুন- বুধবার ৪ রাশির পারিবারিক সমস্যা দেখা দিতে পারে, দেখে নিন আপনার রাশিফল 

 যখন ভোরের আকাশে একে দেখা যায় তখন এর নাম দেয় এপোলো, আর যখন সন্ধ্যার আকাশে উদিত হয় তখন এর নাম দেয় হার্মিস। অবশ্য গ্রীকরাই প্রথম বুঝতে পেরেছিল যে এপোলো ও হার্মিস নামীয় এই দুটি বস্তু আসলে একই। পিথাগোরাস প্রথম এই প্রস্তাবনাটি করেছিলেন। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রে এই গ্রহের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কোনও ব্যক্তির জন্মছকে এই গ্রহের প্রভাব থাকলে জীবনে দেখা দিতে পারে আমূল পরিবর্তন। জেনে নেওয়া যাক জন্মছকে বুধের প্রভাব থাকলে কোন কোন দিকে পরিবর্তন আসে জীবনে। 

আরও পড়ুন- ফেব্রুয়ারি মাস কেমন কাটবে মিথুন রাশির, দেখে নিন ...

জন্মছকে বুধের প্রভাব-

১) দশম ঘরে বুধের প্রভাব থাকলে সেই ব্যক্তি কোনও কাজ ধারাবাহিকভাবে করতে পারেন না। কয়েকদিন পর পরেই কর্মস্থান বা কাজ বদলের প্রবণতা দেখা দেয়।
২) জীবন শুরুর প্রথম দিকে জাতক বা জাতিকার মধ্যে সব কিছুতেই অনিহা দেখা যায়। কোনও কিছুতেই একাগ্র চিত্তে মনোনিবেষ করা যায় না। তবে বয়ঃসন্ধির সঙ্গে সঙ্গে মত বদলাতে থাকে।
৩) তবে জন্মছকে বুধের প্রভাব থাকলে এই ব্যক্তিরা অত্যন্ত কর্মঠ হয়ে থাকেন কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এদের চেহাড়া শীর্ণকায় হয়। তাই কাজ করার ইচ্ছা থাকলেও দৈহিক ক্ষমতা সঙ্গ দেয় না।
৪) ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে এই গ্রহের ব্যাপক প্রভাব থাকে। এদের মধ্যে প্রথম দিকে পড়াশুনোর প্রতি বেশি উৎসাহ না থাকলেও পরবর্তীকালে জ্ঞান অর্জনের তীব্র আগ্রহ দেখা যায়। 
৫) জন্মছকে বুধের প্রভাবের ফলে জাতক-জাতিকা স্বভাবগত ভাবে খুব কোমল হন, তবে আপাতদৃষ্টিতে দেখলে কঠোর মনোভাবের মনে হয়।