শুক্র গ্রহের মহাদশার প্রভাব সবচেয়ে বেশি ২০ বছর স্থায়ী হয়, জেনে নিন কীভাবে মুক্তি পাবেন

| Sep 26 2022, 11:53 AM IST

শুক্র গ্রহের মহাদশার প্রভাব সবচেয়ে বেশি ২০ বছর স্থায়ী হয়, জেনে নিন কীভাবে মুক্তি পাবেন

সংক্ষিপ্ত

জ্যোতিষশাস্ত্রে, শুক্রকে বস্তুগত সুখ, বৈবাহিক সুখ, বিলাসিতা, সম্পদ, জাঁকজমক, শিল্প, প্রতিভা, সৌন্দর্য, রোমান্স, যৌন-লালসা এবং ঐশ্বর্যের কারক গ্রহ হিসাবে মনে করা হয়। শুক্রের মহাদশার প্রভাব সর্বাধিক ২০ বছর স্থায়ী হয়। কুণ্ডলীতে নীঁচু অবস্থানে থাকলে নেতিবাচক অর্থাৎ অশুভ প্রভাব থাকে, অন্যদিকে উচ্চ অবস্থানে থাকলে শুভ প্রভাব পড়ে।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, গ্রহের মানুষের জীবনে শুভ ও অশুভ প্রভাব রয়েছে। গ্রহগুলোর মধ্যে শুক্র গ্রহের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। জ্যোতিষশাস্ত্রে, শুক্রকে বস্তুগত সুখ, বৈবাহিক সুখ, বিলাসিতা, সম্পদ, জাঁকজমক, শিল্প, প্রতিভা, সৌন্দর্য, রোমান্স, যৌন-লালসা এবং ঐশ্বর্যের কারক গ্রহ হিসাবে মনে করা হয়। শুক্রের মহাদশার প্রভাব সর্বাধিক ২০ বছর স্থায়ী হয়। কুণ্ডলীতে নীঁচু অবস্থানে থাকলে নেতিবাচক অর্থাৎ অশুভ প্রভাব থাকে, অন্যদিকে উচ্চ অবস্থানে থাকলে শুভ প্রভাব পড়ে।

জীবনের উপর শুক্র মহাদশার প্রভাব-
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, প্রতিটি মানুষকেই কোনও না কোনও সময়ে শুক্রের মহাদশার মুখোমুখি হতে হয়। শুক্রের মহাদশার ফল নির্ভর করে কুণ্ডলীতে ব্যক্তির অবস্থানের উপর। শুক্র গ্রহ যদি কোনো ব্যক্তির জন্মকুণ্ডলীতে অশুভ নীচু অবস্থানে থাকে তাহলে তার খারাপ প্রভাব পড়ে। দুর্বল শুক্রের কারণে একজন ব্যক্তিকে শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যায় পড়তে হয়। দুর্বল শুক্রের কারণে, একজন ব্যক্তির বস্তুগত আনন্দের অভাব হয়। তাদের যৌন শক্তি দুর্বল। মহিলাদের ক্ষেত্রে গর্ভপাত ঘটতে পারে, কিডনি ও চোখের রোগ আছে।

Subscribe to get breaking news alerts

আরও পড়ুন- দুর্গাপুজা ও তার পরবর্তী সময় এই ৫ রাশির জন্য খুব চাপের হতে পারে, দেখে কোন রাশি আছে এই

আরও পড়ুন- দুর্গাপুজোর সময় থেকে বাকি বছরটা এই ৪ রাশির জন্য অত্যন্ত শুভ, জেনে নিন কারা আছেন 

আরও পড়ুন- এই বছর মা দুর্গার আগমণ হবে 'হাতিতে' চড়ে, জেনে নিন মায়ের প্রতিটি বাহনের গুরুত্ব

শুক্র দোষ থেকে মুক্তির প্রতিকার-
শুক্র দোষ থেকে মুক্তি পেতে শুক্র গ্রহের মন্ত্র "শুঁ শুক্রায় নমঃ বা শুম শুক্রায় নমঃ" প্রতিদিন অন্তত ১০৮ বার জপ করুন।
শুক্র দোষ থেকে মুক্তি পেতে, দুধ, দই, ঘি, কর্পূর, সাদা ফুল এবং সাদা মুক্তা কোনও অভাবী ব্রাহ্মণকে দান করুন।
প্রতি শুক্রবার উপবাস রেখে সকালে মা লক্ষ্মীর পূজা করুন। এর পর খির তৈরি করে ছোট মেয়েদের মধ্যে বিতরণ করুন।
প্রতিদিন সকালে স্নান করে লক্ষ্মীর পূজা করুন, তারপর সাদা গরুকে ময়দার রুটি খাওয়ান।
প্রতি শুক্রবার ময়দায় চিনি মিশিয়ে পিঁপড়াকে খাওয়ান।