বাড়িকে বাস্তু দোষ মুক্ত রাখতে বাড়ি তৈরির সময় এই ৫টি বিশেষ নিয়ম মনে রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। বাস্তু যদি ঠিক থাকে তবে সংসারের ও পরিবারের সদস্যদের সার্বিক উন্নতি হয়ে থাকে। আর বাস্তুর সমস্যা থাকলে বাড়িতে প্রতিনিয়ত ঝামেলা, অশান্তি, আর্থিক সমস্যা লেগেই থাকে। তাই সেই সমস্ত সমস্যা কাটিয়ে উঠতে বাড়ির তৈরির সময় মনে রাখুন বাস্তুর এই ৫টি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।

আরও পড়ুন- বছরের প্রথম মাস কেমন কাটবে মিথুন রাশির, দেখে নিন

১) বাড়িতে স্বামী ও স্ত্রীর শোয়ার ঘর কখনোই দক্ষিণ-পূর্ব দিকে তৈরি করা উচিৎ নয়। এতে মনে ও মস্তিষ্কে অশান্তির সৃষ্টি হয়। এছাড়া দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকে। তাই এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সবার আগে মনে রাখুন।

২) বাড়ির রান্নাঘর কখনোই উত্তর-পূর্ব দিকে তৈরি করবেন না। এই কারণে বাড়ির সদস্যদের মধ্যে সর্বদা উত্তেজনা ও অসুস্থ্যতা লেগেই থাকে। এছাড়া অভাব অনটন দেখা দেয়। সবথেকে বড় বিষয় হল রান্নাঘরে নেগেটিভ শক্তি বৃদ্ধি পায়।

৩) বাড়ির সদর দরজা যদি দক্ষিণ মুখি হয় তবে বাড়ির পশ্চিম দিকে রান্নাঘর কোনও ভাবেই রাখা যাবে না। এমন হলে বাড়ির সদস্যদের মধ্যে সব সময় মত পার্থক্য লেগে থাকবে। সংসারের সার্বিক শান্তি ভঙ্গ হবে।

আরও পড়ুন- মঙ্গলবারের সারাদিন কেমন কাটবে, দেখে নিন এক নজরে

৪) বাড়ির উত্তর-পশ্চিম কোনে কখনোই কখনোই নব বিবাহিতদের ঘর রাখা উচিত নয়। এতে প্রেম জীবনে বাধার সৃষ্টি হয়। সম্পর্কে উদাসীনভাপ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

৫) বাড়ির প্লট তৈরি করার সময় উত্তর-পূর্ব দিকের জায়গা কিছুটা ফাঁকা রেখে তবেই বাড়ি তৈরি করা উচিত এতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক ভালো থাকে। পরস্পরের বোঝাপড়াও ভালো থাকে।

বাস্তুশাস্ত্র, এই বাস্তু শব্দটি এসেছে বস্তু থেকে। বাস্তু বলতে সব কিছুকেই বুঝায়- তা একটি স্থান হতে পারে- কিংবা একটা বাড়িও হতে পারে। সভ্যতার শুরু থেকেই ভারতীয়  উপমহাদেশে শিল্পচর্চাকে ঊর্ধ্বে স্থান দেয়া হয়েছে। স্থাপত্যশৈলী উপবেদের অন্যতম বিষয়। স্থাপত্য উপবেদ বা স্থাপত্যশাস্ত্র চারটি উপবেদের অন্যতম।  প্রায় ৫০০০ বছর ধরে বাস্তুবিদ্যা কালের বিরুদ্ধে নিরন্তর সংগ্রামে জয়ী হয়েছে। স্থাপত্য উপবেদ বা স্থাপত্য শাস্ত্রের সূত্রগুলো পরবর্তিকালে 'বাস্তুশাস্ত্র' শিরোনামে লিপিবদ্ধ হয়েছে। বৈদিক যুগে স্থাপত্য বিজ্ঞান মূলত মন্দির নির্মাণে ব্যবহৃত হত। পরবর্তীতে তা বিস্তার লাভ করে। প্রাচীন যুগে স্থপতিরা কেবল নিছক তৈরির কাজ করতেন না, নির্মাণশৈলী ও পরিকল্পনার বিষয়টিও তদারক করতে হত তাঁদের।