করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে বাস-ট্যাক্সি-অটোতে ওঠা দায়। বাসে তুমুল ভিড়ে করোনা সংক্রমণের উচ্চ সম্ভাবনা, ট্যাক্সি-অটো তো যেমন ইচ্ছা ভাড়া চাইছে। এই অবস্থায় ব্যক্তিগত যানবাহন অর্থাৎ সাইকেল-মোটরবাইক-স্কুটারের চাহিদা বাড়ছে। সাইকেল চালিয়ে বেশিদূর যাওয়া পরিশ্রম ও সময়সাধ্য। আর গত ৯ দিন ধরে ভারতে একটানা বেড়ে চলেছে জ্বালানী তেলের দাম। তাই এই অবস্থায় বৈদ্যুতিক স্কুটারের থেকে ভালো বিকল্প আর কী হতে পারে। লকডাউনের মধ্যেই বাজারে এসেছিল 'অ্যাম্পিয়ার ইলেক্ট্রিক' সংস্থার 'ম্যাগনাস প্রো' স্কুটার। একবার ফুলচার্জ দিলে এই স্কুটার ৯৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারে। কাজেই এর পিছনে ব্যয়ও অত্যন্ত কম।

'অ্যাম্পিয়ার ইলেক্ট্রিক' সংস্থার দাবি তাদের নতুন স্কুটারটির ড্রাইভিং রেঞ্জ ঐতিহ্যবাহী বাজাজ চেতকের থেকেও ভালো। এই স্কুটারটি পাওয়া যাচ্ছে চারটি রঙে - মেটাল রেড (লাল), গোল্ডেন ইয়োলো (হলুদ), ব্লাশ পার্ল হোয়াইট (সাদা) এবং গ্রাফাইট ব্ল্যাক (কালো)। সারা দেশে ২০০ টিরও বেশি ডিলার শপে পাওয়া যাচ্ছে এই স্কুটার। তবে চাইলে সংস্থার অফিসিয়াল সাইট থেকে অনলাইনেও এটি বুক করা যায়।

স্টাইলিশ লুকের স্কুটারটির দাম ৭৩,৯০০ টাকা। ইএমআই-তেও কেনা যাবে এই বৈদ্যুতিক স্কুটার। ইএমআই-এর বিকল্পগুলি শুরু হচ্ছে দিন ১০০ টাকা অর্থাৎ মাসে ৩০০০ টাকা থেকে। সংস্থার দাবি বছরে যেখানে অন্যান্য স্কুটারের পিছনে বছরে ২৭০০০ টাকার মতো খরচ হয়, সেখানে এই স্কুটারটির পিছনে ব্যয় হবে মাত্র ২৭০০ টাকা। কারণ এই বৈদ্যুতিন স্কুটারের জ্বালানী ব্যয় প্রতি কিলোমিটারে মাত্র ১৫ পয়সা। এছাড়া তিন বছরের স্ট্যান্ডার্ড এবং দুই বছরের বর্ধিত ওয়ারিন্টি-ও দেওয়া হচ্ছে সংস্থার পক্ষ থেকে। এছাড়াও খুব অল্প খরচে বীমা-র ব্যবস্থাও রয়েছে।

ম্যাগনাস প্রো স্কুটারে একটি ৬০ ভোল্ট ক্ষমতার বৈদ্যুতিক ব্যাটারি এবং একটি ১২০০ ওয়াটের বৈদ্যুতিক মোটর ব্যবহার করা হয়েছে। স্কুটারটিতে দুটি ড্রাইভিং মোড রয়েছে - ইকো এবং ক্রুজ। সংস্থাটির দাবি ফুল চার্জ দেওয়া হলে ইকো মোডে একটানা ১০০ কিলোমিটার এবং ক্রুজ মোডে একটানা ৮০ কিলোমিটার যেতে পারে ম্যাগনাস প্রো। স্কুটারটি পুরো চার্জ হতে সময় লাগে মাত্র ৬ ঘন্টা। এটিতে ১০ লিটার পরিমাপের বুট স্পেস দেওয়া হয়েছে। ড্যাশবোর্ড পুরোপুরি ডিজিটাল। বাড়তি সুবিধা, ফ্রন্ট পকেটে একটি স্মার্টফোন চার্জার এবং অ্যান্টি থেফ্ট অ্যালার্ম।