Mileage Bikes: পেট্রোলের দাম বাড়ুক, চিন্তা নেই! সেরা মাইলেজ দেওয়া 100cc বাইক দেখে নিন
পেট্রোলের দাম আকাশছোঁয়া। অফিসযাত্রী থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত পরিবার, সকলেরই পকেটে টান পড়ছে। তবে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন Zomato বা Rapido-র মতো ডেলিভারি সার্ভিসের কর্মীরা। এই সমস্যার সমাধান হতে পারে বেশি মাইলেজ দেওয়া 100cc বাইক।
16

Image Credit : Gemini AI
১০০ সিসি বাইক কেন সেরা?
১০০ সিসি বাইক মানেই দারুণ মাইলেজ। ইঞ্জিনের ক্ষমতা কম হলেও, রোজকার কাজের জন্য যথেষ্ট শক্তি পাওয়া যায়। এই বাইকগুলো প্রতি লিটার পেট্রোলে প্রায় ৬৫ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। তাই যারা প্রতিদিন অফিস, কলেজ বা ছোটখাটো কাজের জন্য যাতায়াত করেন, তাদের জন্য এটি খুব কাজের। এছাড়াও, এর রক্ষণাবেক্ষণের খরচও কম হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদে পকেটে চাপ পড়ে না।
26
Image Credit : Google
TVS রেডিয়ন
TVS রেডিয়ন বাইকটি তার মজবুত গঠন এবং মেটাল পার্টসের জন্য পরিচিত। ডিজাইন সাদামাটা হলেও, পারফরম্যান্স বেশ শক্তিশালী। দিল্লিতে এই বাইকের এক্স-শোরুম দাম প্রায় ৫৫,৪০০ টাকা। RTO ও ইনস্যুরেন্স মিলিয়ে অন-রোড দাম পড়ে প্রায় ৬৪,৩২৩ টাকা। চালানোর খরচ কম হওয়ায় অনেকেই প্রতিদিনের যাতায়াতের জন্য এই বাইকটি বেছে নেন।
36
Image Credit : stockPhoto
হিরো স্প্লেন্ডার প্লাস
হিরো স্প্লেন্ডার প্লাস ভারতের অন্যতম বিশ্বস্ত একটি বাইক। এটি প্রতি লিটারে প্রায় ৭০ কিলোমিটার মাইলেজ দেয়। এর এক্স-শোরুম দাম ৭৬,১৭৭ টাকা এবং অন-রোড দাম প্রায় ৯০,৮৭৩ টাকা। সহজ ডিজাইন, ভালো পারফরম্যান্স এবং কম সমস্যা হওয়ার কারণে অনেকের কাছেই এটি প্রথম পছন্দ।
46
Image Credit : Google
হিরো এইচএফ ডিলাক্স
হিরো এইচএফ ডিলাক্স কম দামে ভালো মাইলেজ দেওয়া একটি বাইক হিসেবে পরিচিত। দিল্লিতে এর এক্স-শোরুম দাম প্রায় ৫৮,৮৭৭ টাকা এবং অন-রোড দাম প্রায় ৬৯,৮২৫ টাকা। এই বাইকটিও প্রতি লিটারে প্রায় ৭০ কিলোমিটার মাইলেজ দেয়। যারা প্রতিদিন বাইক ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এটি একটি সহজ এবং নির্ভরযোগ্য বিকল্প।
56
Image Credit : stockPhoto
বাজাজ প্লাটিনা
বাজাজ প্লাটিনা বাইকটি আরাম এবং মাইলেজ, দুটোর জন্যই বিখ্যাত। বাস্তবে এই বাইকটি প্রতি লিটারে প্রায় ৭২ কিলোমিটার পর্যন্ত মাইলেজ দেয়। এর অন-রোড দাম প্রায় ৮৫,০০০ টাকা। এর নরম সাসপেনশনের কারণে দীর্ঘক্ষণ চালালেও ক্লান্তি কম লাগে।
66
Image Credit : stockPhoto
রক্ষণাবেক্ষণের খরচ কম
১০০ সিসি বাইকের ইঞ্জিনগুলো সাধারণত সহজ এবং মজবুত ডিজাইনের হয়। তাই এগুলিতে সমস্যা কম হয়। ছোটখাটো কোনো সমস্যা হলেও সহজেই মেরামত করা যায়। এর যন্ত্রাংশও বেশ সস্তা এবং সহজেই পাওয়া যায়। এই কারণেই এই বাইকগুলো কম খরচে দীর্ঘদিন চালানো সম্ভব।
Latest Videos

