- Home
- Auto
- Bike Tips: টিউবলেস টায়ার পাংচার হওয়ার পর কতদূর পর্যন্ত চালানো যায়? জানলে অসময়ে কাজে লাগবে
Bike Tips: টিউবলেস টায়ার পাংচার হওয়ার পর কতদূর পর্যন্ত চালানো যায়? জানলে অসময়ে কাজে লাগবে
আজকাল অধিকাংশ নতুন বাইকেই টিউবলেস টায়ার লাগানো থাকে, কারণ টিউব-যুক্ত টায়ারের তুলনায় এগুলো অধিক নিরাপদ এবং সুবিধাজনক। কিন্তু রাস্তায় চলার সময় হঠাৎ টায়ার পাংচার হয়ে গেলে আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে—বাইকটি কি আরও চালানো সম্ভব?

আজকাল অধিকাংশ নতুন বাইকেই টিউবলেস টায়ার লাগানো থাকে, কারণ টিউব-যুক্ত টায়ারের তুলনায় এগুলো অধিক নিরাপদ এবং সুবিধাজনক। কিন্তু রাস্তায় চলার সময় হঠাৎ টায়ার পাংচার হয়ে গেলে আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে—বাইকটি কি আরও চালানো সম্ভব? আর যদি সম্ভব হয়, তবে কত কিলোমিটার পর্যন্ত চালানো নিরাপদ? চলুন, বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
টিউবলেস টায়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল পাংচার হওয়ার পর টায়ারের ভেতরের বাতাস হুট করে বা একবারে বেরিয়ে যায় না, বরং ধীরে ধীরে বের হতে থাকে। অনেক সময় টায়ারের ভেতরে কোনও পেরেক বা ধারাল বস্তু আটকে থাকে, যা বাতাস বেরিয়ে যাওয়ার গতিকে আরও কমিয়ে দেয়। এর ফলে বাইক চালক নিরাপদে বাইক থামানোর কিংবা কাছাকাছি কোনও গ্যারাজে পৌঁছনোর জন্য পর্যাপ্ত সময় পেয়ে যান।
যদি পাংচারটি ছোট হয় এবং বাতাস খুব ধীরে ধীরে বের হতে থাকে, তবে আপনি বাইকটি কিছুটা পথ কম গতিতে চালিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। সাধারণত, এভাবে ১ থেকে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ পাড়ি দেওয়া সম্ভব। তবে এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে টায়ার থেকে বাতাস কত দ্রুত বেরিয়ে যাচ্ছে এবং রাস্তার অবস্থা কেমন—তার উপর। মসৃণ বা ভালো রাস্তায় হয়তো আপনি কিছুটা বেশি পথ যেতে পারবেন, কিন্তু এবড়োখেবড়ো রাস্তায় বা যেখানে প্রচুর গর্ত রয়েছে, সেখানে এই দূরত্ব অনেকটাই কমে যায়।
যদি টায়ারের বাতাস উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বা প্রায় পুরোপুরিই বেরিয়ে গিয়ে থাকে, তবে বাইক চালানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এমতাবস্থায় টায়ারের পাশের অংশগুলো (sidewalls) সংকুচিত হতে শুরু করে, যার ফলে টায়ারটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর প্রভাব রিমের উপরও পড়তে পারে এবং বাইকের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল টায়ার পাংচার হওয়ার পর কখনই বাইকটি দ্রুত গতিতে চালানো উচিত নয়। বাইকের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে এবং টায়ারের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়া এড়াতে সর্বদা ধীর গতিতে বাইক চালান। এছাড়া হঠাৎ করে ব্রেক কষা বা খুব দ্রুত বাঁক নেওয়া থেকেও বিরত থাকা উচিত, কারণ এতে টায়ারটি আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
যদি আশপাশে টায়ার মেরামতের কোনও দোকান না থাকে, তবে বাইকটি ধীরে ধীরে টেনে (tow করে) নিকটস্থ সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। তবে টায়ারটি যদি পুরোপুরিই চুপসে গিয়ে থাকে, তবে বাইকটি ঠেলে নিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। তাছাড়া, আজকাল টিউবলেস টায়ার মেরামতের জন্য বহনযোগ্য কিট বা সরঞ্জাম পাওয়া যায়। সঙ্গে এমন একটি কিট রাখা বেশ সুবিধাজনক হতে পারে।