Suzuki Swift Sport: আরও শক্তিশালী অবতারে নতুন সুজুকি সুইফট স্পোর্ট! কবে আসছে বাজারে?
Suzuki Swift Sport: আমরা ভারতে যে সুইফট গাড়িটি দেখি, তার চেয়েও শক্তিশালী ভার্সন হল সুইফট স্পোর্ট। শোনা যাচ্ছে, এই বছরের শেষেই নতুন প্রজন্মের এই গাড়িটি বাজারে আসতে পারে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক এটির খুঁটিনাটি।

New Suzuki Swift Sport Car
সম্প্রতি ভারতে লঞ্চ হওয়া চতুর্থ প্রজন্মের সুইফটের উপর ভিত্তি করে সুজুকি একটি নতুন সুইফট স্পোর্ট মডেল তৈরি করছে বলে খবর। জাপানের 'বেস্ট কার ওয়েব' নামে একটি ম্যাগাজিনের রিপোর্ট অনুযায়ী, সুজুকি চলতি বছরের শেষে নতুন প্রজন্মের সুইফট স্পোর্ট মডেলটি লঞ্চ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এই হট হ্যাচব্যাক মডেলটি আরও আগে বাজারে আসার কথা থাকলেও, কিছু কারণে দেরি হয়েছে।
৪৮-ভোল্টের মাইল্ড-হাইব্রিড প্রযুক্তি?
শোনা যাচ্ছে, নতুন সুইফট স্পোর্ট সাধারণ সুইফটের চেয়ে একটু বেশি চওড়া হবে, যা এটিকে আরও স্পোর্টি লুক দেবে। এছাড়া আরও ভালো ড্রাইভিং অভিজ্ঞতার জন্য সুজুকি গাড়ির বডি এবং সাসপেনশন সিস্টেমেও উন্নতি করেছে। নতুন সুইফট স্পোর্টে থাকছে ৪৮-ভোল্টের মাইল্ড-হাইব্রিড প্রযুক্তি সহ একটি ১.৪-লিটারের টার্বোচার্জড ফোর-সিলিন্ডার পেট্রোল ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিনটি ১৪৮ হর্সপাওয়ার (hp) শক্তি এবং ২৪০ Nm টর্ক তৈরি করবে। গাড়িটির আগের মডেলেও ১.৪-লিটারের টার্বো পেট্রোল ইঞ্জিন ছিল, কিন্তু সেটি মাত্র ১৩৮ hp শক্তি এবং ২৩০ Nm টর্ক দিতে সক্ষম ছিল।
অল-হুইল ড্রাইভ (AWD) সিস্টেম
আগের মডেলের মতোই নতুন সুইফট স্পোর্টেও 6-স্পিড ম্যানুয়াল এবং 6-স্পিড অটোমেটিক ট্রান্সমিশনের অপশন থাকবে। আপাতত এটি শুধুমাত্র ফ্রন্ট-হুইল ড্রাইভ (FWD) মডেল হিসেবে এলেও, পরবর্তী প্রজন্মে অল-হুইল ড্রাইভ (AWD) সিস্টেমও দেওয়া হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। পারফরম্যান্সের কথা বললে, এই গাড়িটি মাত্র ৮ সেকেন্ডে ০ থেকে ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতি তুলতে পারে। এটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২১০ কিমি। ড্রাইভিং ছাড়াও গাড়ির বাইরের লুকেও অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এখানে এই গাড়ির বিক্রি কম হতে পারে?
স্পোর্টি ফ্রন্ট গ্রিল, ফ্রন্ট-লিপ স্পয়লার, সাইড স্কার্ট, ১৭-ইঞ্চির অ্যালয় হুইল, ডুয়াল এগজস্ট পাইপ এবং রিয়ার ডিফিউজার এর অন্যতম আকর্ষণ। গাড়ির ভেতরে সেমি-বাকেট সিট, মেটালিক ফিনিশযুক্ত পেডাল এবং বিশেষ ধরনের আপহোলস্ট্রি থাকতে পারে। মারুতি সুজুকি এখনও পর্যন্ত, ভারতে সুইফট স্পোর্ট মডেলটি লঞ্চ করেনি। তাই, নতুন প্রজন্মের এই মডেলটিও ভারতে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। এখানে এই গাড়ির বিক্রি কম হতে পারে এবং এর ১.৪-লিটারের টার্বো ইঞ্জিনটি দেশে তৈরি না হওয়াটাই এর প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

