করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে রবিবার থেকে বাংলাদেশে শুরু হয়ে গেল করোনাভাইরাসেরের টিকাকরণ কর্মসূচি। অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রোজেনের বিকাশ করা করোনা-টিকা ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া সরবরাহ করছে বাংলাদেশে। সেই টিকাই দেওয়ার শুরু হয়েছে দেশটিতে। করোনা-টিকার দুই মিলিয়ন ডোজ বাংলাদেশে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া। 

এই রবিবার দেশের ১ হাজার ১৫টি কেন্দ্রে টিকাদান অভিযান শুরু হয়েছ। সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও টিকা প্রদান করা হচ্ছে।  ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশনন সিস্টেমের পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, প্রথম দিনের শেষে প্রায় ৩১ হাজার ১৬০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানান হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় ৫ মাহার ৫১ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে প্রথম দিতে  ৩ লক্ষ ৬০ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। গোটা দেশে ২ হাজার ৪০টি দল টিকা প্রদান কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে। টিকা গ্রহণের আগে নাম নথিভুক্ত করা নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। রবিবার টিকা নিতে  কেন্দ্রগুলিতে আসেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। প্রথম দফায় নেতা মন্ত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেকের পাশাপাশি টিকা নিয়েছেন প্রধানবিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। 

জলবায়ু পরিবর্তনেই কি হিমবাহ বিস্ফোরণ, ৭ বছর পর কেদারনাথের স্মৃতি ফিরে এল চামোলিতে ...

উত্তরাখণ্ডে হিমবাহ ফেটে বিপর্যয়ে মৃতদের পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী, আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার ..

বাংলাদেশের কাছে মোট ৭০ লক্ষ টিকার ডোস রয়েছে। যার মধ্যে ২০ টিকা ভারত সরকার বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দিয়েছে। সেরাম পাঠিয়েছে পাঠিয়েছ ৫০ লক্ষ টিকা। তবে কতদিন ধরে টিকা প্রদান কর্মসূচি চলবে সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারছে না সরকার। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতি মাসে নির্ধারিত দুটি সপ্তাহে টিকা প্রদান করা হবে বলেও প্রশাসন থেকে জানান হয়েছে।