এক সময় একের পর এক অনুষ্ঠানের প্রস্তাবে ভরে যেত তাঁদের রোজকারের রুটিন। লকডাউনে সেই চাহিদা একেবারেই পড়ে গিয়েছে নিলিশা বসাকের। মাত্র ২৮ বছর বয়সে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছেছিলেন কলকাতার এই সংগীতশিল্পী। কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় জলসা, মেলা, পুজোর অনুষ্ঠান, সেমিনারের গান গাইতেন নিলিশা। বেশি পরিচিতিও লাভ করেছিলেন তিনি। 

আরও পড়ুনঃশ্বাসকষ্টের জেরে নানাবতী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল ঐশ্বর্য-আরাধ্যাকে, অমিতাভ-অভিষেক এখনও চিকিৎসাধীন

লকডাউনে সেই চাহিদা একেবারেই মিশিয়ে গিয়েছে মাটিতে। করোনার প্রকোপে সমস্ত ছোট খাটো অনুষ্ঠানও বন্ধ হয়েছে। একের পর এক উৎসবের দিন গুলিও পেরিয়ে যাচ্ছে অন্যদিকে শিল্পীদের সংসারে পড়ছে আর্থিক টান। সেই টানেই নিলিশা রাস্তায় বিক্রি করতে বসলেন পাউরুটি, বিস্কুট, দুধ, কেক। 

আরও পড়নঃ'রানী রাসমণী'র শ্যুটিং সামলেও উচ্চমাধ্যমিকে দিতিপ্রিয়ার দারুণ ফল, শুভেচ্ছায় ভরছে নেটদুনিয়া

অর্থকষ্টে ব্যাঙ্কের সঞ্চয় কোনও রকমে চলছিল তাঁর পরিবার। হাতিবাগানের হরি ঘোষ স্ট্রিটের ট্রাম লাইনের পাশের ফুটপাতে সকাল ৬ টায় বসিয়ে ফেলেন দোকান। নামী সংগীতশিল্পী থেকে যে তাঁকে এই বিকল্প পেশায় নামতে তা ভাবেননি নিলিশা। পুরনো ছন্দে না ফেরা পর্যন্ত এভাবেই সংসার চালাবেন নিলিশা। 

আরও পড়ুনঃমাত্র ২৮ বছর বয়সে চলে গেলেন রণবীরের লুক আলাইক, শ্রীনগরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জুনেইদ শাহ

একের পর এক লকডাউনে পড়েছে প্রতিটি এলাকা। করোনার প্রকোপ অন্যদিকে দিনে দিনে বেড়েই চলেছে দেশে। পশ্চিমবঙ্গে সাধারণ মানুষের অধিকাংশই লকডাউনের কোনও নিয়মই মানার প্রচেষ্টায় নেই। যার কারণে ক্রমশ বেড়ে চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। লকডাউনের মধ্যেই চাকরিহারা হয়েছেন অসংখ্য মানুষও। নিলিশার মতই বিকল্প পেশা নিয়ে সংসার চালাচ্ছে অনেকেই।