বাংলা সাহিত্যের সম্ভারে, বড় পর্দায় গোয়েন্দা চরিত্রের অভাব ঘটেনা কখনও। প্রতিনিয়তই কোনও না কোনও চরিত্র জীবন্ত হয়ে উঠেছে বইয়ের পাতা থেকে। প্রাণ পেয়েছে অভিনেতা, পরিচালক ও প্রোডাকশন টিমের হাত ধরে। ফেলুদা, ব্যোমকেশ, কাকাবাবু, বাদ পরেননি কেউই। তবে বাদের খাতায় ছিলেন একজন বিজ্ঞানী, শ্রুতি নাটকে তার উপস্থাপনা হলেও, বড় পর্দায় দেখা মেলেনি প্রফেসর শঙ্কুর। সেই খামতিই এবার পুরণ করতে চেলেছেন পরিচালক সন্দীপ রায়।

পর্দায় আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন প্রফেসর শঙ্কু। ছবির নাম প্রফেসর শঙ্কু ও এল ডোরাডো। গল্পের নামের খানিক বদল ঘটে এই ছবিতে। মূল গল্পের নাম নকুড়বাবু ও এল ডোরাডো। যেখানে নকুড়বাবুর ভবিষ্যৎ দেখতে পাওয়ার ক্ষমতার ওপর নির্ভর করেই পাড়ি দেওয়া এল ডোরাডোর পথে।

কেন এতদিন ভাবা হল না এই চরিত্রকে নিয়ে, কারণ হিসেবে কয়েকটি বিষয় তুলে ধরাই যায়। প্রফেসর শঙ্কুর অধিকাংশ গল্পই বিদেশে, উন্নতমানের প্রযুক্তিরও প্রয়োজন ছবিটি তৈরি করতে। বর্তমানে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের বিস্তর পরিবর্ত ঘটেছে, যেখানে আমাজন অভিযান, ইয়েতি অভিযানের মতন ছবি তৈরি হচ্ছে, ফলেই আর বাদ পরলেন না বিজ্ঞানী। ছবির শ্যুটিং অধিকাংশটাই হয় আমাজন, আফ্রিকায়।

চলছে ছবির কাজ। চলতী বছরই প্রেক্ষাগৃহে দেখা মিলবে এই বৈজ্ঞানিকের। ইতিমধ্যেই ছবির পোস্টার প্রকাশ্যে এনেছে প্রযোজক সংস্থা। চরিত্রের সৃষ্টিকর্তা সত্যজিৎ রায়-এর জন্মদিন উপলক্ষেই প্রকাশ্যে আসে এই খবর।