দলিত এবং দেশের মহিলাদের প্রতি হওয়া অত্যাচারের জন্য দায়ী একমাত্র নরেন্দ্র মোদী। এমনটাই দাবি করে বসেছিলেন অভিনেত্রী সাংসদ নুসরত জাহান। তাঁর টুইট নিয়ে শোরগোল পড়েছিল নেটদুনিয়া। টুইটারে সম্বিত পাত্রের টুইটের পরই জবাব দিয়েছিলেন নুসরত। নুসরতের পর এবার সোহম চক্রবর্তী। যোগী আদিত্যনাথ এবং নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে সরব হলেন টুইটারে। ক্ষোভ উগরে দিয়ে বললেন, কেন নিহতের পরিবারকে আটকে রাখা হল। প্রশ্ন তুললেন সোহম। 

সোহম লেখেন, "কেন যোগী পুলিশ আটকালো নিহতের পরিবারকে। কেন ওরা দলিত বলে। আপনার চোখে ওনারা মানুষ নন। আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নরেন্দ্র মোদূর অত্যাচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ লড়তে থাকবেন।" তিনি আরও লেখেন, "নিজের মেয়ের শেষকৃত্যে থাকতে দেওয়া হয়নি হাথরসের পরিবারকে। নরেন্দ্র মোদী আর কতটা নিচে নামবেন।" প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সম্বিত পাত্র টুইটারে লিখেছিলেন, "উত্তরপ্রদেশে এসব কী ঘটে চলেছে। প্রতিটি জায়গায় ধর্ষণের খবর। আর সহ্য করা যাচ্ছে না।" 

 

 

এই টুইটের জবাবে নুসরত লেখেন, "অবশেষে কেউ তো সাংঘাতিক সত্য স্বীকার করল। আপনি কেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে, দলিত এবং দেশের মহিলাদের বিরুদ্ধে হওয়া অবিচার, অপরাধের জন্য দায়ী করছেন না। নিজের গুরুকে প্রশ্ন করতে কোথায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে আপনার।" নুসরতের এই টুইট যে কোনও বিস্ফোরনের চেয়ে কোনও অংশ কম নয় তা টুইটারে শুরু হওয়া যুদ্ধের থেকে প্রমাণিত। 

 

 

ইতিমধ্যেই বিজেপি ভক্তরা তেড়ে ওঠে নুসরতের দিকে। বাংলায় হওয়া ধর্ষণের ঘটনাগুলি নিয়ে তাঁকে কটাক্ষ করা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজেনদের কথায়, "আপনি কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দোষারোপ করছেন না বাংলার বিজেপি কর্মীদের উপর হওয়া অত্যাচারের জন্য।" বাংলায় হওয়া অপরাধ এবং ধর্ষণের উপর তাঁকে নজর রাখতে উপদেশ দিয়ে চলেছে তৃণমূল বিরোধীরা।