ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক কিংবদন্তি নেতা। তিনি নেতাজি নামে সমধিক পরিচিত। ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ জানুয়ারি, বর্তমান ওড়িশা রাজ্যের কটক শহরে জন্মগ্রহণ করেন সুভাষচন্দ্র বসু। তিনি ছিলেন কটক-প্রবাসী বিশিষ্ট বাঙালি আইনজীবী জানকীনাথ বসু ও প্রভাবতী দেবীর চৌদ্দ সন্তানের মধ্যে নবম। সুভাষচন্দ্র পরপর দু-বার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারতের পূর্ণ ও সত্বর স্বাধীনতার দাবি জানাতে থাকেন। স্বাধীন ভারতের জন্য তাঁর অবদান অস্বীকার্য। আজ তাঁর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকীতে নস্টালজিক টলিমহল। 

আরও পড়ুনঃবন্ধুত্ব, Live In, অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে নীল-তৃণা, দেখিন গ্র্যান্ড এনগেজমেন্ট পার্টির ভিডিও

 

প্রসেনজিৎ 'নেতাজী' ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। সেই ছবির ভিডিও শেয়ার করলেন সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায়। লিখেছেন, "সাহসিকতা এবং নিঃস্বার্থতা ও সত্যের মূর্তির প্রতীক ছিলেন নেতাজি। জাতির সর্বকালের অন্যতম সেরা দেশপ্রেমিক ছিলেন। পর্দায় তাঁর চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার সুযোগ পেয়ে গর্ববোধ করি।"

 

 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Mimi (@mimichakraborty)

 

মিমি চক্রবর্তী নেতাজির ছবি হাতে নিয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। পাশাপাশি নেতাজির বাণীও লিখেছেন, "জীবনে সংগ্রাম না থাকলে জীবনের অর্ধেক উৎসাহ হারিয়ে যায়। ঝুঁকি নেওয়ার সাহস থাকলেই জীবনে এগিয়ে যাওয়া যায়।"

 

 

আবির চট্টোপাধ্যায় টুইট করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নেতাজির প্রতি। লিখেছেন, "সত্যের নায়ককে প্রণাম ও শ্রদ্ধা।"

 

 

শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় নেতাজির ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, "ওনার নাম এবং লড়াই করার ক্ষমতাই আমাদের মত সকল ভারতীয়কে অনুপ্রেরণা জোগায়। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের জন্মবার্ষিকীতে শতকোটি প্রণাম।"