অপু থেকে ফেলুদা, সেখান থেকে বাঙালির হার্টথ্রব সৌমিত্র, একনিমেষে শেষ হয়ে গেল একটা অধ্যায়। তার এই প্রয়াণে বাংলা সিনেমার এর যুগের অবসান ঘটল। বাঙালির মনে তিনি অবিনশ্বর।  সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের অকাল প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা টলিপাড়ায়। বাংলা চলচ্চিত্রের কালো দিনে সকলেই শোকাহত। শেষমেষ আর আটকে রাখা গেল না বাংলা ইন্ডাস্ট্রির 'জুয়েল'কে।

সাংসদ অভিনেতা দেব সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে ভীষণ ভাবে শোকাহত।  নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় দেব লিখেছেন, 'যেখানেই থেকো ভাল থেকো তোমাকো খুব মিস করব ছানা দাদু',

 

তুমি যেখানেই থেকো ভালো থেকো, তোমাকে খুব মিস করবো ছানা দাদু। 🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻

Posted by Dev on Saturday, November 14, 2020

 

টলিউডের অভিনেতা জিৎও  'বাংলা সিনেমার রাজা চলে গেল, একটা অধ্যায়ের সমাপ্তি'। সারাজীবন তিনি সকলের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন বলে শেষশ্রদ্ধা জানিয়েছেন, 

 

সদ্যই পরিচালক-অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনায় কাজ শেষ করেছেন সৌমিত্র। প্রাণের চেয়েও প্রিয় জেঠুকে হারিয়ে গভীর ভাবে শোকাহত পরমব্রত।

 

কিংবদন্তি অভিনেতার মৃত্যতে শোকপ্রকাশ করেছেন  সাংসদ অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী,

 

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে গভীর ভাবে শোকাহত আবির চট্টোপাধ্যায়, 'সকলের প্রিয় কিংবদন্তি চলে গেলেন অন্তিম বিদায় জানিয়ে, তোমাকে মিস করব,সিনেমাও তোমাকেও মিস করবে',

 

স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ও পরপর দুই ধাক্কা পেলেন, বছরের শুরুতেই বাবা ও  বছর শেষে সৌমিত্র জেঠুকে হারিয়ে শোকাহত স্বস্তিকা।

 

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে ভীষণ ভাবে শোকাহত সৃজিত মুখার্জি, 

 

পরিচালক রাজ চক্রবর্তীও কিংবদন্তি অভিনেতার মৃত্যতে শোকপ্রকাশ করেছেন,

 

অরিন্দম শীল টুইটে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন,


ফেলুদা আর নেই। একটানা দীর্ঘ ৪০ দিনের লড়াই শেষ। প্রতিদিনই যেই মানুষটার শারীরিক অবস্থা জানার জন্য মুখিয়ে রয়েছে আপামর বাঙালি, সেই সকলের প্রিয় ফেলুদা আর নেই।  দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। চিকিৎসকেরা আশার আলো দেখছিলেন শেষ মুহূর্তে। কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হল না। রবিবার  ১২ টা ২০ নাগাদ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের  মৃত্যুর খবর ঘোষণা করে বেলভিউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মৃত্যুকালে অভিনেতার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। একটানা ৪০ দিন ধরে চলছে জীবন-মৃত্যুর লড়াই। অদম্য ফাইটিং স্পিরিট নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন বাঙালির ফেলুদা। অবশেষে আর পারলেন না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি এগোচ্ছিল খারাপের দিকে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, তাদের সব রকম চেষ্টা সত্বেও কোনও কিছুই কাজ হচ্ছে না। কিন্তু  লড়াকু মানুষটির থেকে আরও একবার কামব্যাকের আশা করছিলেন সকলে। কিন্তু অবশেষে শেষরক্ষা আর হল না।