দু'সপ্তাহের বেশি হয়ে গিয়েছে। এখনও নানাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অমিতাভ বচ্চন। ১১ জুলাই কোভিড পজিটিভ হওয়ার পর থেকেই হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় তাঁকে। হাসপাতালের কেবিনের চার দেওয়ালে যেন দম বন্ধ হয়ে আসছে অমিতাভের। একাকীত্বে ভুগছেন তিনি। করোনার মতো ছোঁয়াছে ভাইরাসের কারণে হাসপাতালের ঘরের আশপাশেও ঠিকভাবে পায়চারি করার সুযোগ নেই। এই সময় তাঁর সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে বাবাকে। বাবা হরিবংশ রাই বচ্চন, কিংবদন্তী কবি। তাঁর কবিতা একসময় আবৃত্তি করে ভিডিও করেছিলেন। পুরনো সেই ভিডিও নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন তিনি। সম্প্রতি বচ্চন পরিবারের মিলেছে খানিক স্বস্তি। ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের কোভিড পরীক্ষায় নেগেটিভ এসেছে ফলাফল। আরাধ্যাও এখন কোভিড নেগেটিভ। 

আরও পড়ুনঃদুই অমিত-এ নাজেহাল, অমিত শাহ-কে 'ভার্চ্যুয়াল হাগ' দিয়ে বসলেন বিদ্যুৎ

ছাড়া পেয়ে গিয়েছেন নানাবতী হাসপাতাল থেকে। অভিষেক বচ্চন টুইট করে খবরটি প্রকাশ্যে আনেন। অভিনেতা টুইটে লেখেন, "আপনাদের প্রার্থনার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। ঐশ্বর্য এবং আরাধ্যার কোভিড টেসট নেগেটিভ এসেছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে গিয়েছে দু'জনেই। আপাতত হোম কোয়ারেন্টাইন থাকবে দু'জনেই। আমি এবং বাবা এখনও হাসপাতালের পর্যবেক্ষণে থাকছি।" অমিতাভ বচ্চন এবং অভিষেকের কোভিড পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ আসার পরই রাতারাতি ঐশ্বর্য এবং আরাধ্যার কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। অমিতাভ এবং অভিষেক প্রথমেই নানাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। 

আরও পড়ুনঃমুকেশের মন্তব্য ও মহেশের বয়ানে আকাশ-পাতাল তফাত, সুশান্ত-মৃত্যু তদন্তে আরও জোরালো সন্দেহ

 

তবে ঐশ্বর্য, আরাধ্য প্রথমে বাড়িতে ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণে থাকলেও পরে শ্বাসকষ্টের জেরে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। ১৭ জুলাই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন মা ও মেয়ে। দশদিনের দীর্ঘ চিকিৎসার পর ছাড়া পেলেন তাঁরা। করোনার প্রকোপ দিনে দিনে বেড়ে চলেছিল বচ্চন পরিবারে। ১১ জুলাই কোভিড সংক্রমিত হওয়ার টুইট করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন এবং অভিষেক। একদিন পর ১২ জুলাই অভিষেক টুইট করে জানান, ঐশ্বর্য এবং আরাধ্যাও কোভিড পজিটিভ। অমিতাভ বচ্চন এবং অভিষেক করোনায় সংক্রমিত হওয়ার একদিন পরই ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এবং আরাধ্যার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। অন্যদিকে জয়া বচ্চনের কোভিড টেস্টের রিপোর্ট প্রথমদিন থেকেই নেগেটিভ।