নব্বই দশক থেকে ভালবাসার এক ভিন্ন ভাষা শিখিয়ে দিয়েছিল পুরনো দিল্লির সাদা মাটা দেখতে ছেলেটা। ফৌজি, সার্কাসে অভিনয় করা ছেলেটিই যে একদিন বলিউডের কিং অফ রোম্যান্স হয়ে উঠবে কেই বা ভেবেছিল। নতুন প্রজন্ম অর্থাৎ জেনরেশন এক্সের কাছেও নব্বই দশকের তৈরি করে দেওয়া শাহরুখ খানের প্রেমের ভাষা আজও সেরার সেরা। প্রেমে নেই কোনও বাধা, 'এক তরফা প্যায়ার কি তাকাত'ও শিখিয়েছেন তিনি, ভালবাসা দিয়ে, ভালবাসা না পাওয়ার গল্পও বলেছেন শাহরুখ। লার্জার দ্যান লাইফের গল্পকে নিজেদের জীবনের সঙ্গে ওতোপ্রতভাবে জড়িয়ে ফেলতে পেরেছি আমরা, কেবলমাত্র তাঁরই কারণে। কেবল ভারতীয় মহিলা ভক্তরাই নয়, বিদেশেও তাঁর মহিলা ভক্তরা আশা করে তাদের জীবনেও একদিন রাজ, রাহুল, অথবা ডাঃ জাহাঙ্গির খানের আগমণের অপেক্ষায় বসে থাকে। তাঁর জন্মদিনে এই বিশেষ বাছাই করা গানই আপনাকে আরও নিয়ে যাবে সেই রোম্যান্সের পৃথিবীতে। যেখানে নেই কোনও হিংসা, দুঃখ, রাগ। রয়েছে জগৎ ভরা ভালবাসা। 

আরও পড়ুনঃহাই থাই স্লিটে উঁকি মারছে গোপন ট্যাটু, লো নেকেই উপচে পড়া মধুমিতার যৌবন

মেহেন্দি লগা কে রখ নাঃ

দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে ছবিটি আজও সাহস জোগায় অসংখ্য ছেলেদের। যারা প্রেমে ব্যর্থতার মুখ দেখতে নারাজ। মেয়ের বাড়িতে বরের বন্ধু সেজে ঢুকল প্রেমিক। ক'জন ছেলের এমন বুকের পাটা থাকে। 

কোই মিল গয়াঃ

প্রথম প্রেম, বলা ভাল, লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট, সেই অনুভূতি দিনের পর দিন আরও জাগিয়েছে এই গান। কুছ কুছ হোতা হ্যয় মানেই প্রথম প্রেম, প্রথম মন ভাঙা, প্রথম বন্ধুত্ব। সব মিলিয়ে শাহরুখের এই গানেই রয়েছে রোম্যান্সের ছোঁয়া। 

কল হো না হোঃ

কল করে সো আজ, আজ করে সো অব। এই কথাটির গুরুত্ব এই ছবিতে অক্ষরে অক্ষরে প্রমাণ করেছেন শাহরুখ। কাল কী হবে কেউ জানে না। তবে তাই বলে জীবনে প্রেম কখনও থেমে থাকে। জীবনে নয়নার মত এক মেয়ের জন্য আমান হয়ে উঠতে সাহস লাগে অনেকখানি। সেই সাহস আজও জোগাচ্ছেন শাহরুখ। 

ম্যয় হু নাঃ

মেজর রাম প্রসাদ শর্মা। একজন আদর্শ ছেলে, সর্বদা ছত্রছায়ার মত থাকা ভাই, পাশে পাওয়া এক ভাল বন্ধু, সঙ্গে রক্ষা করা এক প্রেমিক। এক আদর্শ পুরুষের চিত্র নিয়েই শাহরুখকে দেখা গিয়েছিল ম্যয় হু না-তে। এই গানও তারই প্রতীক। 

ছাঁইয়া ছাঁইয়াঃ

যতই বিদেশি ভাষার 'সেনোরিটা', 'লাভলি' আসুক না কেন। শাহরুখ খানের 'ছাঁইয়া ছাঁইয়া' গানের কাছে যেকোনও পার্টি সংই ফেল। এর আর রহমানের সুর, সঙ্গে ট্রেনের উপর চড়ে শাহরুখের জোগি নাচ, আজও সেরার সেরা। তাঁর জন্মদিনে এই গান কোনও পার্টিতে না চললে সেই পার্টিই অসম্পূর্ণ।