হ্যাসট্যাগ মিটু। বর্তমানে বলিউডের ট্রেন্ড হয়ে গিয়েছে এই বিষয়টি। প্রকাশ্যে সমস্যার কথা তুলে ধরার জন্যই তৈরি হয়েছিল আন্দোলন। কোনও রকম হেনস্থা আর চাপা পরে থাকবে না। সকলের সামনে তুলে ধরা হবে যৌন হেনস্থার কথা। ফলেই মেয়েদের জন্য এটি এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরিত হয়। 
তবে এই ধারনার জন্ম দিয়েছিলেন যিনি এবার বিপাকে পরলেন তিনি নিজেই। তনুশ্রী দত্ত, বলিউডের এই নায়িকাই নানাপাটেকর-এর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে থেকেই চালু হয়েছিল হ্যাসট্যাগ মিটু। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই দীর্ঘদিন তদন্ত চালায় পুলিশ। কিন্তু মিলল না প্রকৃত প্রমাণ। তারই অভাবে ক্লিনচিট পেলেন এবার অভিনেতা। 
সূত্রের খবর আদালতে এক মুখ বন্ধ খামে পেশ করা হয় যাবতীয় নথি। এবার তার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নিলেন কোর্টের বিচারপতি। 
মেলেনি উপযোক্ত প্রমাণ, ফলেই তনুশ্রীর অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিলেন আদালত। নায়িকার অভিযোগ ছিল ২০০৯ সালে হর্ন ওকে প্লিজ ছবির শ্যুটিং চলাকালিন তাকে অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়। যৌসন হেনস্তা করেন নানা পটেকর। কিন্তু অভিনেতার বক্তব্য ছিল এতোদিন পরে কেনই বা মুখ খুললেন তনুশ্রী। এতদিন কেন আনেননি প্রকাশ্যে এই ঘটনা। তারপরই এই ঘটনা নিয়ে জল ঘোলা হয় বিস্তর। সেই ঘটনারই এবার রায় দিলেন বিচারক। ফলেই তনুশ্রী দত্তের অভিযোগ এবার ভিত্তিহীন হয়ে পড়ল।