জয়া প্রদা। ভারতীয় চলচ্চিত্রের সুপরিচিত অভিনেত্রী হিসেবেই খ্যাত। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিক হিসেবেও তিনি পরিচিত। মাত্র ১৪ বছর বয়সে নিজের অভিনয় দিয়ে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন জয়া প্রদা। বলিউডে প্রায় একটানা দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে অভিনয় করেছেন জয়াপ্রদা। ৩০০রও বেশি সিনেমা রয়েছে তার ঝুলিতে। একসময়কার বিখ্যাত অভিনেত্রীর তকমার সঙ্গে অ্যাওয়ার্ডসও পেয়েছেন অভিনেত্রী। হিন্দি সিনেমার পাশাপাশি তেলেগু, তামিল, হিন্দি, কন্নড়, বাংলা, মালায়ালম, মারাঠি ছবিতেও অভিনয় করেছেন জয়া প্রদা। 

আরও পড়ুন-মহিলাদের জয়জয়কার, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীশক্তির জয়গান চার গায়িকার...

অভিনয়ের বাইরে এসে নতুন করে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছেন জয়া। লোকসভা ভোটের আগেই যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। যদিও দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিনেত্রী। ২০১৯ সালে  উত্তরপ্রদেশের রামপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছিলেন জয়া প্রদা। সেই লোকসভা নির্বাচনের সময় ৫৭ বছর বয়সী  বিজেপি নেত্রী জয়া প্রদার বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গ লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এবার সেই আইন লঙ্ঘনের জন্য জয়া প্রদার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এমনকী জেলেও যেতে হতে পারে অভিনেত্রীকে।

আরও পড়ুন-ডান্স ফ্লোরে আগুন ধরালেন ঝুমা বৌদি, উষ্ণ আবেদনময়ীর নাচ ভাইরাল নেটদুনিয়ায়...

পরবর্তী মামলার শুনানি হবে ২০ এপ্রিল। রামপুর আদালত থেকেই এই  জামিন অযোগ্য পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গত লোকসভা নির্বাচনের সময় রামপুর সংসদীয় আসন থেকে সমাজবাদী পার্টির আজম খান জয়াপ্রদাকে এক লাখেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেছিলেন। বলিউড থেকে হঠাৎই চলে আসেন রাজনীতিতে।  ১৯৯৬ সালে তেলেগু দেশমের প্রার্থী হিসেবে তিনি রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। তারপর চন্দ্রবাবু নায়ডুর সঙ্গে তার মতবিরোধ ঘটে। তারপর তেলেগু দেশম ছেড়ে যোগ দেন সমাজবাদী পার্টিতে। ২০০৪ সালে সমাজবাদী পার্টির হয়ে  রামপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। তখনও তিনি ৮৫ হাজার ভোটে জিতেছিলেন। ২০০৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময় তাঁর বিরুদ্ধে মহিলাদের মধ্যে বিন্দি বিলি করার অভিযোগ ওঠেছিল । আর সেই বারও ৩০ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হন। ২০১০ সালে দলবিরোধী কার্যকলাপের জন্য সমাজবাদী পার্টি তাকে বহিষ্কার করে। তারপর ২০১৯ সালে ২৬ মার্চ বিজেপিতে যোগ দেন জয়া প্রদা।