৪ সেপ্টেম্বর শৌভিক চক্রবর্তী এবং স্যামুয়েল মিরান্ডাকে টানা দীর্ঘক্ষণের জেরার পর গ্রেফতার করা হয়। আজ ৫ সেপ্টেম্বর আদালতে পেশ করা হলে তাঁদের ৪ দিন এনসিবির হেফাজতে রাখার আদেশ দেওয়া হয়। যদিও এনসিবি-র দাবি ছিল ৭ দিনের। রিয়া চক্রবর্তীর আদেশেই শৌভিক চক্রবর্তী ড্রাগ আনতেন। এনসিবির জেরায় মুখ খোলেন শৌভিক। টানা নয় ঘন্টা জেরার পর গ্রেফতার হন শৌভিক। 

আরও পড়ুনঃস্পোর্টস ব্রা পরে শরীরচর্চা, হুমকি, হেনস্তার শিকার 'রোডিস'-এর প্রতিযোগী সংযুক্তা

একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে সুশান্ত সিং রাজপুতের বাড়ির ম্যানেজার স্যাম্যুয়েল মিরান্ডা। নার্কোটিক্স কন্ট্রোল বিউরিও-র দণ্ডবিদি অনুযায়ী ২০,২২, ২৬, ২৭ এবং ২৮ ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার এনসিবি তাঁদের দু'জনকে গ্রেফতার করার আগে ভোর ৬:৪০ নাগাদ রিয়া এবং স্যাম্যুয়েলের বাড়িতে তল্লাসি চালায় দেড় ঘন্টা। জরুরি নথি পাওয়ার পর তাঁদের সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় জেরার জন্য। 

আরও পড়ুনঃফের নক্ষত্রপতন, প্রয়াত জনপ্রিয় বলিউড পরিচালক

আরও পড়ুনঃপ্রায় ১৫ বছরের বয়সের ফারাককে তোয়াক্কা নয়, ট্যাবু ভেঙে ভালবাসায় মগ্ন সোহিনী-সপ্তর্ষি

দীর্ঘক্ষণ জেরার পর গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের। শনিবার আদালতে পেশ করা হল তাঁদের। এনসিবি রিয়াকেও সমন করবে বলে জানা যাচ্ছে। শুক্রবার ভোর থেকেই চলছিল এনসিবি বনাম শৌভিক, মিরান্ডা। রিয়ার বাড়ির সামনে এনসিবির টিমকে দেখে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। সেখানকার ছবি ভিডিও ভাইরাল হতেই নেটিজেনের অনুমান ছিল গ্রেফতার হতে পারেন রিয়া। রিয়ার গ্রেফতারি নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা।

আরও পড়ুনঃক্রপ টপে ছক্কা হাঁকালেন মনামি, বয়সকে তুড়িতে উড়িয়ে তিনি এখন 'হটেস্ট'